টেস্ট ক্রিকেটকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা সম্প্রতি জানিয়েছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার। সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তব পরীক্ষা এবারই। মাত্র ৫০ দিনের মধ্যে পাঁচটি টেস্ট খেলতে হবে বাংলাদেশকে, যার চারটিই চলমান বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ চক্রের অংশ। এর সঙ্গে আছে টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডের ব্যস্ত সূচি। তাতে দেশের ক্রিকেটে ব্যস্ত এক সময়ই অপেক্ষা করছে।
সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে জাপানে এশিয়ান গেমসের টি-টোয়েন্টি দিয়ে শুরু হবে এই ব্যস্ততা। এরপর সংযুক্ত আরব আমিরাতে ওয়ানডে ও টেস্ট, আর ডিসেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকা সফর, অল্প সময়ের মধ্যেই একের পর এক ম্যাচ খেলতে হবে টাইগারদের।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ক্রিকেট অপারেশন্স বিভাগের প্রধান শাহরিয়ার নাফীসও স্বীকার করেছেন, গত চার বছরে টেস্ট ক্রিকেটে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়নি বাংলাদেশ। দ্য ডেইলি স্টারকে তিনি বলেন, 'চার বছর পর এমন পরিস্থিতি প্রথমবারের মতো তৈরি হয়েছে। এর আগে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে এমনটা দেখেছি, কিন্তু টেস্টে আমরা এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হইনি।'
জাপানে এশিয়ান গেমসের টি-টোয়েন্টি দলে রাখা হয়েছে টেস্ট দলের পাঁচ নিয়মিত ক্রিকেটারকে। বাংলাদেশ যদি টুর্নামেন্টের ফাইনালে ওঠে, তাহলে ৯ অক্টোবর সংযুক্ত আরব আমিরাতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টের আগে বিশ্রাম ও প্রস্তুতির জন্য সময় থাকবে মাত্র পাঁচ দিন।