মূল্যস্ফীতি কমলেও মজুরি প্রবৃদ্ধিতে ভাটা: প্রকৃত আয় কমে বিপাকে সাধারণ মানুষ

বিডি নিউজ ২৪ প্রকাশিত: ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫২

সরকারি পরিসংখ্যানে মূল্যস্ফীতি কমার খবর এলেও তার বিপরীতে মজুরি বৃদ্ধির হার কমে যাওয়ায় দুশ্চিন্তা কাটছে না।


বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হালনাগাদ তথ্য বলছে, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের দ্বিতীয় মাস অগাস্টে দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে ৮ দশমিক ২৬ শতাংশে নেমেছে। তবে একই মাসে মজুরি বৃদ্ধির হার আরও কমে ৮ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।


অগাস্টের মূল্যস্ফীতির এই হার গত ১০ মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম। কিন্তু মজুরি বৃদ্ধির হারও গত সাত মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন।


পরিসংখ্যান বলছে, টানা সাড়ে চার বছর ধরে দেশে মূল্যস্ফীতির চেয়ে মজুরি বৃদ্ধির হার কম।


২০২২ সালের জানুয়ারিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতির (৫.৮৬%) চেয়ে মজুরি বৃদ্ধির হার (৫.৯২%) কিছুটা বেশি ছিল। কিন্তু পরের মাস ফেব্রুয়ারি থেকেই আয়ের চেয়ে ব্যয়ের পারদ উপরে উঠতে শুরু করে, যা আর নিচে নামেনি।


দীর্ঘদিন ধরে এই বিপরীতমুখী প্রবণতার কারণে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে গরিব ও সীমিত আয়ের মানুষের ‘প্রকৃত আয়’ বা ক্রয়ক্ষমতা ধারাবাহিকভাবে কমে যাচ্ছে।


পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট বা মাসভিত্তিক হিসাবে অগাস্টে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ হওয়ার অর্থ হল, গত বছরের অগাস্টে চাল, ডাল, যাতায়াত, বাসাভাড়াসহ জীবনযাপনের যেসব খরচ মেটাতে ১০০ টাকা লাগত, এ বছরের অগাস্টে তা বেড়ে ১০৮ টাকা ২৬ পয়সা হয়েছে।


এর বিপরীতে, জাতীয় মজুরি বৃদ্ধির হার ৮ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ হওয়ায়, গত বছর ১০০ টাকা আয় করা ব্যক্তির আয় এ বছর বেড়ে ১০৮ টাকা ৫ পয়সা হয়েছে।


অর্থাৎ আয় যতটুকু বেড়েছে, জীবনযাত্রার ব্যয় তার চেয়ে বেশি হারে বেড়েছে। তাতে বাধ্য হয়ে সাধারণ মানুষকে খরচের ফর্দ কাটছাঁট করতে হচ্ছে কিংবা সঞ্চয় ভাঙতে হচ্ছে।


সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিংয়ের (সানেম) নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক সেলিম রায়হান বলেন, “আমরা খুশি হতাম যদি মূল্যস্ফীতি কমার সঙ্গে সঙ্গে মজুরি সূচক বৃদ্ধি পেত। বর্তমান তথ্য বিশ্লেষণ করলে উদ্বেগজনক একটি চিত্র দেখা যায়। সেটি হচ্ছে, মূল্যস্ফীতি প্রকৃত মজুরির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করেছে। অর্থাৎ বাস্তবে আয় বাড়লেও বাজারের বাড়তি খরচ তা খেয়ে ফেলছে।”


দীর্ঘ সময় ধরে মজুরি বৃদ্ধির হারের চেয়ে মূল্যস্ফীতি বেশি থাকায় মানুষের প্রকৃত আয় ‘ভয়ানকভাবে’ কমে যাচ্ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, “মানুষের খরচ করার সামর্থ্য কমছে। অনেকে সঞ্চয় ভেঙে খাচ্ছেন। আবার অনেকের তো সঞ্চয়ও নেই।”

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও