‘বাধাহীন’ লংমার্চ: রাজনীতিতে ‘সহনশীলতার বার্তা’

জাগো নিউজ ২৪ প্রকাশিত: ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:০৪

জ্বালানি তেলের চলমান সংকটের মধ্যেই বিশাল গাড়িবহর নিয়ে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চ কর্মসূচি পালন করেছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য। তবে জ্বালানি সংকট নিরসনসহ বিভিন্ন দাবিতে করা এ কর্মসূচির যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বলা হচ্ছে, দেশে যখন জ্বালানি সংকট তীব্র তখন শত শত গাড়ির বহর নিয়ে দীর্ঘ পথের এই লংমার্চ কর্মসূচি দেওয়া কতটা যৌক্তিক?


লংমার্চ কর্মসূচি থেকে নানান উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগও সামনে এসেছে। এ কর্মসূচি ঘিরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয় তীব্র যানজট। দুর্ভোগে পড়েন সাধারণ মানুষ। কোথাও কোথাও তৈরি হয় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি। তারপরও সরকার লংমার্চে কোনো প্রতিবন্ধতা সৃষ্টি করেনি। বরং অত্যন্ত ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছে। এটিকে ‘সহনশীল রাজনীতির বার্তা’ হিসেবে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।


তারা বলছেন, অতীতে এমনটি দেখা যায়নি। দীর্ঘ দেড় যুগ পর সরকারের কোনো রকম বাধা ছাড়া বিরোধীদল এত বড় একটি কর্মসূচি পালনের সুযোগ পেলো। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের চিত্র ছিল পুরো উল্টো। তখন বিরোধী দল ও মতের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতেও দমন-পীড়ন চালানো হতো। যা রাজনীতির জন্য ছিল খুবই নেতিবাচক ধারা।


কিন্তু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সুস্থ রাজনীতির চর্চা শুরু করে। অতীতের পথে হাঁটছে না বর্তমান সরকারের প্রশাসন। বিশ্লেষকরা এ বিষয়টিকে খুবই ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।


আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিএনপির লংমার্চ, রোডমার্চ, সভা-সমাবেশ ও আন্দোলন কর্মসূচিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দমন-পীড়ন ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়েছে। কর্মসূচির আগে থেকেই চলেছে গণগ্রেফতার। অনেক ক্ষেত্রে কর্মসূচি পণ্ড করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু গত ৫ সেপ্টেম্বরের কর্মসূচি ছিল সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম।


গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ-জ্বালানি ও সারের সংকট নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং প্রশাসনে সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধসহ ছয় দফা দাবিতে লংমার্চ করে ১১-দলীয় ঐক্য। এ লংমার্চে সরকার কোনো প্রকার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা তো দূরের কথা, চেষ্টাও করেনি। এজন্য সরকারকে সাধুবাদ দিচ্ছেন বিশিষ্টজনেরা।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও