তিন বছরের মধ্যে ডেঙ্গুর সর্বোচ্চ সংক্রমণ, দুই সেরোটাইপের মিশ্রণে ঝুঁকি বেশি

প্রথম আলো প্রকাশিত: ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০১

রাজধানীর ফার্মগেটে একটি বেসরকারি হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে গতকাল শুক্রবার সকালে নানা বয়সী ১০ জন মানুষ অপেক্ষা করছিলেন। তাঁদের একজন খালেদা আক্তার। সঙ্গে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ২২ বছর বয়সী ছেলে ফাতেমি। দুটি সরকারি হাসপাতালে গিয়েও ছেলের জন্য শয্যা পাননি বলে জানান তিনি।


বেসরকারি এই হাসপাতালের পুরুষ রোগীদের জন্য নির্ধারিত ছয়টি শয্যার একটিও তখন খালি ছিল না। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁদের অপেক্ষা করতে বলেছিল। একটি কেবিন খালি ছিল, দৈনিক ভাড়া আট হাজার টাকা। বেসরকারি স্কুলের শিক্ষক খালেদা আক্তারের পক্ষে এই ব্যয় বহন করা কঠিন। তবু শেষ পর্যন্ত কেবিন নেওয়ার কথাই ভাবছিলেন।


খালেদা আক্তার প্রথম আলোকে বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত কেবিনটাই নিতে হবে। ছেলের জীবন আগে। তিন দিনে অনেক টাকা গেছে। আরও হয়তো যাবে। উপায় নেই।’

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও