You have reached your daily news limit

Please log in to continue


একটি কুঁড়ি দুটি পাতায় জমাট বাঁধা কষ্ট

সকালে ঘুম ভাঙার পর, বিকেলে সব কাজের শেষে অথবা সারা দিনে কাজের ফাঁকে ফাঁকে ধোঁয়া ওঠা চায়ের চুমুক আমাদের চাঙা করে তুললেও এই চায়ের কাপে কত মানুষের শ্রম-ঘাম-রক্ত মিশে থাকে, তা হয়তো কখনোই আমাদের চিন্তায় আসে না। চা-বাগানে ঘুরতে গিয়ে হয়তোবা আমরা ভাবি না যে এই বাগানের মাটি আর চাগাছের প্রতিটি কুঁড়ি, প্রতিটি পাতায় কতশত শ্রমিক আর তাঁদের স্বজনদের কান্না লুকিয়ে আছে। নাটকে বা চলচ্চিত্রে দেখানো হয়, শ্রমিকেরা পিঠে বাঁধা বিশাল ঝুড়িতে চা-পাতা তুলছেন, টিলা বা পাহাড়ের গায়ে সবুজ বাগান, সন্ধ্যায় আগুন জ্বালিয়ে বাগানিয়াদের গান আর নাচ—কতই না আকর্ষণীয় জীবন! চা-বাগানকে কেন্দ্র করে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন অঞ্চলে পর্যটনকেন্দ্র, রিসোর্ট ইত্যাদি গড়ে উঠেছে। সারা দেশের মানুষ এখানে বেড়াতে আসে। অথচ এই আনন্দ-হাসির মাঝে জমাট বেঁধে থাকা বেদনার কথা আড়ালেই থেকে যায়।

সম্প্রতি দেশের চা-বাগানগুলোতে শ্রমিকদের মজুরি ৯ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এখন তাঁদের সর্বোচ্চ দৈনিক মজুরি ১৯৬.৮০ টাকা। এটি এ গ্রেডের বাগানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। বি গ্রেডে মজুরি ১৯৫ টাকা এবং সি গ্রেডে ১৯৪ টাকা। কিন্তু শ্রমিকেরা এই টাকা প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছেন, তাঁরা এটি নেবেন না। দৈনিক মজুরি ৫০০ টাকা করতে হবে এই দাবিতে তাঁরা আন্দোলনে নেমেছেন। মজুরি বৃদ্ধির পরও সেটি না নেওয়ার ঘোষণা দিলেন কেন চা-বাগানের শ্রমিকেরা?

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন