দেশের ক্রিকেটের উন্নতি নাকি রাজনীতি

www.ajkerpatrika.com প্রকাশিত: ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৪

মোহাম্মদ মিঠুনের সঙ্গে গতকাল সন্ধ্যায় যখন কথা হলো, তখন তিনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে, দক্ষিণ আফ্রিকাগামী ফ্লাইট ধরার অপেক্ষায়। বাংলাদেশ ‘এ’ ওয়ানডে দলে সুযোগ পেয়েছেন মিঠুন। ‘এ’ দলে তাঁর অন্তর্ভুক্তি নিয়ে হচ্ছে আলোচনা-সমালোচনা। জাতীয় দলে কতবার সুযোগ পেয়েছেন, বাদ পড়েছেন—তখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রল হলেও এত আলোচনা হয়নি তাঁকে নিয়ে।


মিঠুনকে নিয়ে কেন এখন এত আলোচনা? প্রশ্নটা শুনে হাসলেন মিঠুন। তিনি বললেন, ‘আপনিও জানেন, আমিও জানি। কারণ তো আর বলার দরকার নেই। আমি কিছু না বললেও আপনি কারণটা নিয়ে লিখতে পারবেন।’ ২০২১ সালের জুলাইয়ে সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলা ৩৫ বছর বয়সী মিঠুনকে যে ‘এ’ দলে ফেরানো হবে, এমন একটা আলোচনা কদিন ধরে শোনা যাচ্ছিল। নির্বাচক প্যানেল সূত্রেও জানা গেল, মিঠুনের অন্তর্ভুক্তি করার সময় তাঁদের মনে হয়েছে, এটা নিয়ে কথা উঠবে। তবু মিঠুনকে দলে নেওয়ার যুক্তি হিসেবে বয়স নয়, জাতীয় দলের পুল বড় করার বিষয়টি সামনে এনেছে নির্বাচক প্যানেল।


মিঠুন ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াবের বর্তমান সভাপতি। বর্তমান বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালের খুব ঘনিষ্ঠ হিসেবেও একটা পরিচিতি তৈরি হয়েছে সাম্প্রতিক সময়ে। মিঠুনের ‘এ’ দলে অন্তর্ভুক্তি তাতে আরও বেশি সমালোচনার জন্ম দিচ্ছে। মিঠুন নিজেও মনে করেন, কোয়াবের সভাপতি না হলে ‘এ’ দলে অন্তর্ভুক্তি নিয়ে এত কথা হতো না, ‘পদটাই বিষয় দাঁড়িয়েছে। পদ নিয়ে যদি কাজ না করে বসে থাকতাম চুপচাপ, কিছুই হতো না। আমি আমার কাজ করছি। যারা খারাপ মতলব নিয়ে আসছিল, তাদের কাজ বাধাগ্রস্ত হয়েছে বলেই এত কথা।’

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও