হিমবাহগলা ঢলে ভোটেকোশি নদীতীরে বৈশ্বিক কান্না

জাগো নিউজ ২৪ ড. মো. ফখরুল ইসলাম প্রকাশিত: ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১৪:৫৭

হিমালয়ের বুক থেকে নেমে আসা একটি নদী হঠাৎ যেন মৃত্যুর দূত হয়ে উঠেছিল। গত ২৬ আগস্ট নেপালের রাসুয়া জেলার ভোটেকোশি নদীতে যে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ধস নেমে এসেছে, তা এখন আর কেবল নেপালের দুর্যোগের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; পরিণত হয়েছে একটি আন্তর্জাতিক মানবিক ট্র্যাজেডিতে। প্রায় তিন ডজন দেশের পর্যটক, তীর্থযাত্রী, স্থানীয় বাসিন্দা, শ্রমিক ও নিরাপত্তাকর্মী—কেউ রেহাই পাননি। নদীর স্রোতে ভেসে গেছে ঘরবাড়ি, সড়ক, সেতু, জলবিদ্যুৎ অবকাঠামো এবং মানুষের স্বপ্ন।


২৮ আগস্ট সকাল পর্যন্ত নেপালে অন্তত ৪৬৯ জনের মৃত্যু এবং ১,৩০০-এর বেশি মানুষের নিখোঁজ থাকার কথা জানা গেছে। নিখোঁজদের মধ্যে বিপুলসংখ্যক দেশি-বিদেশি পর্যটক ও কৈলাস-মানস সরোবরগামী তীর্থযাত্রী রয়েছেন। নেপালের পর্যটন কর্মকর্তাদের হিসাবে ৬৬৭ পর্যটক নিখোঁজ, যার মধ্যে ৫৪০ জন ৩২টি দেশের বিদেশি নাগরিক। ভারতীয় নাগরিকই সবচেয়ে বেশি ছিলেন। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের ৬৫, মালয়েশিয়ার ৫৫, ইউক্রেনের ৫৩, যুক্তরাজ্যের ৩৩ এবং অস্ট্রেলিয়া ও কানাডারও বহু পর্যটক নিখোঁজ।


সবচেয়ে মর্মান্তিক বিষয় হলো, বহু দেশের নাগরিক এখনো নিখোঁজ। ফলে ভোটেকোশির তীরে আজ শুধু স্বজন হারানোর কান্নায় বিভিন্ন দেশের দূতাবাস, পরিবার ও রাষ্ট্রের উৎকণ্ঠাও একাকার হয়ে গেছে।


গত ২৬ আগস্টের প্রথম দিকের হিসাবে নেপাল ট্যুরিজম বোর্ড জানিয়েছিল, ভোটেকোশি বন্যায় ৩৮৪ পর্যটক ও ভ্রমণকারী নিখোঁজ হয়েছেন; তাঁদের মধ্যে ২৯১ জন বিদেশি এবং ৯৩ জন নেপালি। বিদেশিদের মধ্যে ভারতীয়, ব্রিটিশ, মার্কিন, অস্ট্রেলীয়, মালয়েশীয়, দক্ষিণ আফ্রিকান ও ডাচ নাগরিক থাকার তথ্য পাওয়া যায়। কিন্তু পরবর্তী কয়েক ঘণ্টায় নিখোঁজ ও মৃতের সংখ্যা দ্রুত বেড়েছে। ২৭ আগস্টের বিভিন্ন প্রতিবেদনে নেপালজুড়ে মৃতের সংখ্যা ১৫৭ থেকে ১৭৭ এবং নিখোঁজের সংখ্যা ৮০০-এর বেশি বলে জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে তিব্বতের অংশে আরও প্রাণহানি ও নিখোঁজের খবর এসেছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও