মাত্র ৬০০ কোটি টাকার জন্য ফেলে রাখা হয় ভোলার গ্যাস পাইপলাইন প্রকল্প

বণিক বার্তা প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১১:১৩

দ্বীপ জেলা ভোলার গ্যাস ব্যবহারে ২০১৮ সালে পাইপলাইন নির্মাণ প্রকল্প নিয়ে তৎপরতা শুরু হয়েছিল। পরিকল্পনা ছিল ভোলা থেকে বরিশাল হয়ে খুলনা পর্যন্ত ১০২ কিলোমিটার পাইপলাইন নির্মাণের।


প্রকল্পে ব্যয়ের প্রাথমিক প্রাক্কলন ছিল ৬০০ কোটি টাকা। ২৪ ইঞ্চি ব্যাসের পাইপলাইনের দৈনিক গ্যাস সরবরাহ সক্ষমতা ধরা হয়েছিল ৩৫০ থেকে ৪০০ মিলিয়ন ঘনফুট, যা বর্তমানে একটি এলএনজি টার্মিনালের সরবরাহ সক্ষমতার কাছাকাছি। কিন্তু প্রকল্পটি সে সময় বাস্তবায়ন হয়নি অর্থনৈতিক ঝুঁকি বিবেচনা, সিদ্ধান্তহীনতা ও পতিত আওয়ামী সরকার ঘনিষ্ঠ এলএনজি আমদানি লবির তদবির ও দেনদরবারে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাইপলাইন প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে গ্যাসের সরবরাহ বাড়ত এবং ভোলায় নতুন গ্যাস অনুসন্ধানে জোরালো তৎপরতা শুরু হতো। অন্যদিকে এখন সেই পাইপলাইন নির্মাণে অন্তত সাড়ে ৩ থেকে ৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে।


দেশে অর্থনৈতিক কর্মতৎপরতা বাড়াতে অনেক মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে পতিত সরকারের আমলে। বিশেষ করে কর্ণফুলী টানেল, মাতারবাড়ী বিদ্যুৎ কেন্দ্র, পায়রা বন্দরের মতো বৃহৎ অবকাঠামো। যেখানে বিপুল অর্থ ব্যয় করা হলেও বর্তমানে আর্থিক সুফল মিলছে না। প্রাক্কলন অনুযায়ী অর্থ না পাওয়ায় সরকারের জন্য এগুলো শ্বেতহস্তী প্রকল্পে পরিণত হয়েছে। অন্যদিকে মাত্র ৬০০ কোটি টাকা বিনিয়োগে ভোলার গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণ প্রকল্প নিয়ে টালবাহানা হয়েছে বছরের পর বছর। স্থানীয় গ্যাসের উৎপাদন কমে যাওয়ায় দেশে ক্রমান্বয়ে এলএনজি আমদানি বেড়েছে। একই সঙ্গে জ্বালানি ব্যয় বৃদ্ধির পরিস্থিতি তৈরি করে দেশের শিল্প খাত, বিদ্যুৎ, সার কারখানাকে ঝুঁকিতে ফেলা হয়েছে বলে মনে করেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা।


অথচ বিগত আওয়ামী লীগ সরকার বন্দরনগরীকে সাংহাইয়ের মতো ‘ওয়ান সিটি, টু টাউন’ মডেলে পরিণত করার কথা বলে ১০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করে কর্ণফুলী টানেল। সম্ভাব্যতা সমীক্ষায় বড় ধরনের লাভের কথা বলা হলেও প্রকল্প বাস্তবায়ন হওয়ার পর সরকারকে লোকসান টানতে হচ্ছে। টোল থেকে উঠছে না রক্ষণাবেক্ষণ খরচও।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও