সংসদের হট্টগোল যে প্রশ্ন রেখে গেল

প্রথম আলো প্রকাশিত: ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১৯:০৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের প্রথম দিন ছিল গত বৃহস্পতিবার। এ দিন জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল এবং গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল নিয়ে বিরোধী দল জাতীয় সংসদে আপত্তি জানাতে পারে কিংবা প্রতিবাদে ওয়াকআউট করতে পারে—এমন আশঙ্কা ছিল। কিন্তু সংসদ উত্তপ্ত হলো প্রশ্নোত্তর পর্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর একটি মন্তব্য ঘিরে।


বিরোধী দলের সদস্যদের আপত্তি, হইচই ও হট্টগোলে প্রায় ১০ মিনিট সংসদের কার্যক্রম ব্যাহত হয়। বারবার চেষ্টা করেও পরিস্থিতি শান্ত করতে না পেরে একপর্যায়ে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, এই সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি কিছুটা চিন্তিত। কিছু সংসদ সদস্যের মধ্যে ক্রমেই অসহিষ্ণুতা লক্ষ করছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।


সংসদে বিরোধী দলের সদস্যরা প্রশ্ন করবেন, মন্ত্রীরা তার জবাব দেবেন—এটাই সংসদীয় গণতন্ত্রের স্বাভাবিক চিত্র। জবাব সন্তোষজনক না হলে বিরোধী দল সমালোচনা ও প্রতিবাদ করবে। সরকারি দলের সদস্যরাও সেই সমালোচনার জবাব দেবেন। এই মতবিরোধ ও বিতর্কই সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রাণ।


বাংলাদেশের সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে বিতর্ক, বাগ্‌বিতণ্ডা কিংবা হট্টগোল নতুন নয়। চলতি সংসদেও একাধিকবার হইচই ও ওয়াকআউটের ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু মতবিরোধ যখন ব্যক্তিগত আক্রমণ এবং একে অপরকে কথা বলতে না দেওয়ার প্রতিযোগিতায় রূপ নেয়, তখন প্রশ্ন ওঠে—সংসদে পরমতসহিষ্ণুতা কতটা আছে? ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলের আচরণের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক সংস্কৃতির পুরোনো সমস্যাই কি আবার সামনে আসছে?

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও