কবরী, পূর্ণিমা, মেহজাবীন–পায়েলদের প্রথম পারিশ্রমিক কত
তারকাদের জৌলুস, তারকাখ্যাতি এবং লাখ লাখ টাকার পারিশ্রমিকের আড়ালে লুকিয়ে থাকে সংগ্রামের গল্প। কারণ, ক্যারিয়ারের শুরুটা তাঁদের মসৃণ ছিল না। ক্যারিয়ারের একদম শুরুতে অনেক প্রথমসারির তারকা কেউ কেউ কোনো অর্থই পাননি। আবার কেউ পেয়েছেন। সেই পারিশ্রমিক ছিল খুবই সামান্য।
১. কবরী
তখন চট্রগ্রামে থাকতেন ঢালিউডের ‘মিষ্টি মেয়ে’ সারাহ বেগম কবরী। সেখান থেকেই বাবা ও বোনের সঙ্গে চলে আসেন ঢাকায় অডিশন দিতে। ১৯৬৪ সালে সুভাষ দত্ত পরিচালিত ‘সুতরাং’ সিনেমার শুটিংয়ের জন্য প্রথম ঢাকায় আসেন। এই কালজয়ী চলচ্চিত্রে অভিনয় করার জন্য তিনি পারিশ্রমিক হিসেবে পেয়েছিলেন ১১১১ টাকা।
২. রোজিনা
অভিনয় করার শখ ছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই যে অভিনয়ে নাম লেখাতে হবে, সেটা কখনোই ভাবেননি। রোজিনা প্রথম অভিনয় করেন ‘জানোয়ার’ সিনেমায়। অভিনেত্রী এক সাক্ষাৎকারে পরে বলেছিলেন, ‘তারপর আমাকে মেককাপ দিয়ে পোশাক পরিয়ে দিল। দৃশ্যটা ছিল এমন, আমি ট্রে হাতে করে নিয়ে যাব, কাট বললে আবার চলে আসব। এই অভিনয়টুকুর জন্য প্রথম আমি ১০ টাকা পারিশ্রমিক পেয়েছিলাম। সেই সময় এটাই আমার কাছে অনেক টাকা।’
৩. পূর্ণিমা
চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা ১৯৯৭ সালে জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত ‘এ জীবন তোমার আমার’ সিনেমার মাধ্যমে ঢাকাই চলচ্চিত্রে পা রাখেন। রোমান্টিক চলচ্চিত্রে সহশিল্পী ছিল রিয়াজ। প্রথম ছবিতেই এক লাখ টাকা পারিশ্রমিক পেয়ে তিনি তা মায়ের হাতে তুলে দেন। এই দারুণ শুরু তার ক্যারিয়ারের শক্তিশালী ভিত্তি গড়ে তোলে।
৪. মেহজাবীন চৌধুরী
ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। তিনিও চট্টগ্রাম থেকে মাকে সঙ্গে নিয়ে এসে প্রথম নাটকের শুটিং করেন। নাটকটির নাম ছিল ‘তুমি থাকো সিন্ধু পাড়ে’। সেই প্রথম নাটকের জন্য পারিশ্রমিক হিসেবে তিনি ১৫ হাজার টাকা পেয়েছিলেন।