নেপালের এই আকস্মিক ঢল কেন মহাবিপর্যয়ে রূপ নিল

প্রথম আলো সন্দীপ যোশী প্রকাশিত: ২৭ আগস্ট ২০২৬, ১৮:৩০

উত্তর রাসুয়ার ভোতেকোশী নদীর কথা ভাবুন। ২৬ আগস্ট সকালে হঠাৎ প্রায় ১০ মিটার উঁচু পানির ঢল তিমুরে ও সিয়াব্রুবেসি এলাকায় আছড়ে পড়ে। এতে বহু বসতি ধ্বংস হয়। কাস্টমসের অবকাঠামো ভেসে যায়। পুলিশ ফাঁড়ি ভেঙে পড়ে। জলবিদ্যুৎ স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দেশের প্রধান বাণিজ্যপথের ওপর নতুন নির্মিত কয়েকটি সেতুও ধ্বংস হয়ে যায়।


কাঠমান্ডুর বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সরকারি প্রতিবেদনে হয়তো এই ঘটনাকে ‘নজিরবিহীন জলবিদ্যাগত ঢল’ বলা হবে। কিন্তু একই এলাকায় এক দশকের মধ্যে যদি বারবার এমন ঘটনা ঘটে, তাহলে তাকে আর আকস্মিক বলা যায় না। একে বলা যায় দুর্বল পরিকল্পনা এবং ভবিষ্যৎ সম্পর্কে দূরদর্শিতার অভাব।


আমরা এখনো এমন একটি জলবায়ুর কথা মাথায় রেখে দেশ গড়ে যাচ্ছি, যে জলবায়ু আর আগের মতো নেই।


কাঠমান্ডুর যেকোনো পরিকল্পনা বা কৌশলগত নথি দেখলেই একটি বিষয় স্পষ্ট হবে। তা জাতীয় জলবায়ু অভিযোজন পরিকল্পনা, সড়ক সম্প্রসারণের নকশা বা বিদেশি সহায়তায় পরিচালিত গ্রামীণ উন্নয়ন প্রকল্প—যাই হোক না কেন, প্রায় সব ক্ষেত্রেই পরিকল্পনা করা হয় গড় হিসাব ধরে। গড় বার্ষিক বৃষ্টিপাত, গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং নদীর গড় পানিপ্রবাহের ওপর ভিত্তি করে অবকাঠামো তৈরি করা হয়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও