You have reached your daily news limit

Please log in to continue


আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬-২০২৯ জারি : আমদানিতে নিয়ন্ত্রণের বদলে ছাড়

আমদানিতে বড় ধরনের ছাড় দিয়েছে সরকার। এখন থেকে ঋণপত্র বা এলসি খোলার পাশাপাশি ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির ভিত্তিতে কোনো মূল্যসীমা ছাড়াই পণ্য আমদানি করা যাবে। একই সঙ্গে সম্পূর্ণ তৈরি অবস্থায় সর্বোচ্চ ৩৭৫ সিসির মোটরসাইকেল আমদানির সুযোগ দেওয়া হয়েছে। তবে নিষিদ্ধ পণ্যের তালিকায় নতুন করে ঢুকেছে প্রাণিজ উৎসের মাংস ও হাড়ের প্রক্রিয়াজাত গুঁড়া (এমবিএম), পুরোনো বা ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক গাড়ি এবং গিলনেট বা কারেন্ট জাল।

ব্যবসা সহজ করা, শিল্পের কাঁচামাল আমদানি বাড়ানো এবং আমদানি ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যচর্চার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে এসব পরিবর্তন আনা হয়েছে। এ জন্য আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬-২০২৯ জারি করেছে সরকার। ২৪ আগস্ট এর গেজেট প্রকাশ করা হয়। নতুন নীতিটি ২০২৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

নতুন নীতির অন্যতম বড় পরিবর্তন হলো এলসি ছাড়া আমদানির সুযোগের পরিধি বাড়ানো। আগের ২০২১-২০২৪ নীতিতেও নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে এলসি ছাড়া ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির মাধ্যমে পণ্য আমদানির সুযোগ ছিল। তবে বাণিজ্যিক আমদানিকারকদের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ থেকে অর্থ পরিশোধের মাধ্যমে বছরে সর্বোচ্চ ৫ লাখ মার্কিন ডলার পর্যন্ত আমদানির সীমা ছিল। নতুন নীতিতে এই মূল্যসীমা তুলে দেওয়া হয়েছে। ফলে এখন এলসি ছাড়াই চুক্তির ভিত্তিতে বড় অঙ্কের পণ্য আমদানি করা যাবে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন