নীরব ঘাতক জরায়ুমুখের ক্যান্সার
জরায়ুমুখের ক্যান্সার হতে পারে যেকোনো বয়সেই। তবে সাধারণত ৩০-৫৫ বছর বয়সী নারীদের মধ্যে এ ক্যান্সারের হার বেশি। বাংলাদেশে নারীদের মধ্যে দ্বিতীয় প্রধান ক্যান্সার জরায়ুমুখের ক্যান্সার। আক্রান্তের সংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশে নারীদের মধ্যে স্তন ক্যান্সারের পরই এর অবস্থান।
অন্য ধরনের ক্যান্সারের তুলনায় জরায়ুমুখের ক্যান্সার খুব সহজে নির্ণয় করা যায়। তবে এ অসুখে আক্রান্ত নারীরা শুরুতে এর লক্ষণ বুঝতে পারেন না। সাধারণত জরায়ুমুখের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার শেষ পর্যায়ে এসে ব্যথা দেখা দেয়। তাই একে বলা হয় নীরব ঘাতক। আবার লক্ষণ দেখা দিলেও অনেকেই এটাকে পিরিয়ডজনিত সমস্যা ভেবে ভুল করে থাকেন। এমন ভুল যেন না হয় সেজন্য যেমন লক্ষণগুলো মনে রাখা জরুরি, পাশাপাশি জেনে নিতে হবে এর কারণ, ঝুঁকি ও প্রতিরোধে করণীয়।
জরায়ুমুখ ক্যান্সার কী
সার্ভিক্যাল বা জরায়ুমুখের ক্যান্সার হলো সার্ভিক্সে ভাইরাসের সংক্রমণ। যোনির সঙ্গে সংযুক্ত জরায়ুর নিচের অংশটিকে বলা হয় সার্ভিক্স। হিউম্যান প্যাপিলোমা নামক ভাইরাস দ্বারা সার্ভিক্স আক্রান্ত হলে এ অংশে অতিরিক্ত কোষের জন্ম হয়, যা পরবর্তীকালে ক্যান্সারে পরিণত হতে পারে।
- ট্যাগ:
- স্বাস্থ্য
- ক্যান্সার চিকিৎসা
- ক্যান্সার