কোরিয়ান রূপচর্চার গোপন রহস্য

বিডি নিউজ ২৪ প্রকাশিত: ২৩ আগস্ট ২০২৬, ২২:৪২

খাদ্যদ্রব্য দীর্ঘকাল সংরক্ষণ এবং তার পুষ্টিগুণ বাড়াতে ‘ফার্মেন্টেইশন’ বা গাঁজানো প্রক্রিয়ার ব্যবহার মানব সভ্যতায় হাজার বছরের পুরানো। তবে আধুনিক কসমেটিক ডার্মাটোলজির কল্যাণে এই প্রাচীন বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিটি এখন বিশ্বজুড়ে রূপচর্চার বাজারে বিপ্লব ঘটিয়েছে, বিশেষ করে কোরিয়ান ও জাপানি রূপচর্চায় (কে-বিউটি) তারুণ্য ধরে রাখার চাবিকাঠি হিসেবে সমাদৃত।


সাধারণ চালের পানি, চা (কম্বুচা) বা বিভিন্ন উদ্ভিজ্জ নির্যাসকে ল্যাবরেটরিতে সুনির্দিষ্ট অণুজীব বা ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে গেঁজিয়ে তৈরি করা হচ্ছে এই ‘ফার্মেন্টেড স্কিনকেয়ার’ বা ‘গাঁজানো প্রসাধনী সামগ্রী’।


স্বাস্থ্য ও রূপচর্চা-বিষয়ক ওয়েবসাইট ‘হেলথ ডটকম’ এবং ‘বার্ডি ডটকম’-এ প্রকাশিত প্রতিবেদনে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, সাধারণ প্রসাধনীর চেয়ে এই গাঁজানো উপাদানগুলো ত্বকের অনেক গভীর স্তর পর্যন্ত প্রবেশ করে কোষে কোলাজেনের উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে।


ক্ষুদ্র অণু ও ত্বকের গভীরে পুষ্টির প্রবেশ


নিউ ইয়র্কের মাউন্ট সিনাই হসপিটালের চর্মরোগবিদ্যার ক্লিনিক্যাল অধ্যাপক ডা. জোশুয়া জেইচনার ব্যাখ্যা করেন, “সাধারণ প্রাকৃতিক উপাদানের (যেমন- সাধারণ চালের পানি বা ভেষজ নির্যাস) আণবিক গঠন বা ‘মলিকিউলার সাইজ’ অনেক বড় থাকে, যা ত্বকের শক্ত বহিরাবরণ ভেদ করে ভেতরে ঢুকতে পারে না।


ফার্মেন্টেইশন বা গাঁজানো প্রক্রিয়ার সময় প্রাকৃতিকভাবে উৎপন্ন এনজাইমগুলো এই জটিল ও বড় প্রোটিন অণুগুলোকে ভেঙে ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র অণুতে রূপান্তর করে ফেলে। এই আণবিক ক্ষুদ্রতার কারণে ফার্মেন্টেড সেরাম বা ক্রিমগুলো সাধারণ প্রসাধনীর চেয়ে অনেক দ্রুত এবং সহজে ত্বকের গভীর কোষে শোষিত হয়ে পুষ্টি সরবরাহ করতে পারে।”

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও