You have reached your daily news limit

Please log in to continue


নয়াপল্টনের ছোট্ট কক্ষ থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় তখন কোণঠাসা বিএনপির কাণ্ডারি ছিলেন বর্তমান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আর তার সঙ্গে বর্তমান ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন যখন কারাগারে এবং তার সন্তান বর্তমান বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান লন্ডনে নির্বাসিত জীবন কাটাচ্ছেন ঠিক তখন প্রায় প্রতিদিনই দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দেখা যেত রুহুল কবির রিজভীকে। যে কোনো সংকটে সংবাদ সম্মেলনে হাজির হতেন তিনি। টানা ১৫ বছর দেশ ও দলের প্রয়োজনে কথা বলেছেন এই মানুষটি। আর সেকারণে রুহুল কবির রিজভী ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হওয়ায় খুশি তার নিজ এলাকার মানুষ ও সমর্থকরা। 

দেশে রাজনৈতিক সংকট যত গভীর হয়েছে, বিএনপির নয়াপল্টন কার্যালয়ে ততই দলীয় নেতাকর্মীদের ভিড় বেড়েছে শেখ হাসিনার সরকার থাকাকালীন। আর সে সময় জেল-জুলুমের তোয়াক্কা না করে দিনের পর দিন রাজনৈতিক কর্মসূচি চালিয়ে গেছেন রুহুল কবির রিজভী। অনেকে সে সময় তাকে নিয়ে ঠাট্টা করলেও এই বর্ষীয়ান নেতা জানতেন একদিন না একদিন সুদিন ফিরবে। আবার ঘুরে দাঁড়াবে তার দল বিএনপি।

কুড়িগ্রামের মাটি থেকে রাজনীতির পথে

রুহুল কবির রিজভীর শিকড় কুড়িগ্রামে। জাতীয় রাজনীতির শীর্ষে তার উত্থান কোনো রাজনৈতিক উত্তরাধিকার সূত্রে বা প্রশাসনিক পদ থেকে নয়। ছাত্রজীবনেই তার রাজনীতির হাতেখড়ি। উচ্চমাধ্যমিক শেষ করার পর তিনি বামপন্থি বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়নের সঙ্গে যুক্ত হন। রাজশাহী সরকারি কলেজ শাখার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেন। পরে যোগ দেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক, পরে সাধারণ সম্পাদক হন তিনি।

রুহুল কবির রিজভী ছিলেন রাকসু ভিপি

রুহুল কবির রিজভীর রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অধ্যায় আসে ১৯৮৯ সালে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ-রাকসু নির্বাচনে তিনি সহসভাপতি বা ভিপি নির্বাচিত হন। তখন এরশাদবিরোধী আন্দোলনে উত্তাল দেশ। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও হয়ে উঠেছিল গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। সেই সময়ের রাজপথের সক্রিয় ছাত্রনেতা রিজভীর রাকসুর ভিপি নির্বাচিত হওয়া ছিল জাতীয় রাজনীতিতে তার ভবিষ্যৎ উত্থানের ভিত্তি।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন