রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বাড়বে কি

প্রথম আলো প্রকাশিত: ২১ আগস্ট ২০২৬, ০৯:১৯

রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ। সরকারের সব নির্বাহী ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতির নামে নেওয়া হলেও রাষ্ট্রপতির স্বাধীন ক্ষমতা খুবই সীমিত। বিদ্যমান সংবিধান অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ছাড়া রাষ্ট্রপতিকে অন্য যেকোনো কাজ করতে হয় প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী। জুলাই সনদ বাস্তবায়িত হলে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা কিছুটা বাড়ত।


রাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গের মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য আনতে প্রধানমন্ত্রীর একচ্ছত্র ক্ষমতা কমানো এবং কিছু ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বাড়ানোসহ বেশ কিছু সংস্কার প্রস্তাব ছিল জুলাই সনদে। তবে নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণের ছয় মাসেও সেই সনদ বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাও বাড়েনি।


অবশ্য ক্ষমতাসীন বিএনপি বলেছে, যেভাবে জুলাই জাতীয় সনদ সই হয়েছে, তারা সেভাবে বাস্তবায়ন করবে; সে অনুযায়ী সংবিধান সংশোধন করবে। শেষ পর্যন্ত এটি হলে মানবাধিকার কমিশন, তথ্য কমিশন, প্রেস কাউন্সিল, আইন কমিশন—এই চার প্রতিষ্ঠানে স্বাধীনভাবে নিয়োগ দেওয়ার ক্ষমতা পাবেন রাষ্ট্রপতি।


২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণ–অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। ওই বছরের ৮ আগস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার শপথ নেয়। অভ্যুত্থান–পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচিত বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল ‘ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ’ ও ‘রাষ্ট্র সংস্কার’। বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কার আনার লক্ষ্যে প্রস্তাব তৈরি করতে ২০২৪ সালের অক্টোবরে ছয়টি সংস্কার কমিশন গঠন করেছিল অন্তর্বর্তী সরকার। পরে কমিশনগুলোর প্রস্তাবগুলো নিয়ে রাজনৈতিক ঐকমত্য তৈরি করতে গঠন করা হয় জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা শেষে তৈরি করা হয় জুলাই জাতীয় সনদ। যেখানে মোট ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাব স্থান পায়। এর মধ্যে সংবিধান–সম্পর্কিত প্রস্তাব আছে ৪৮টি। সেখানে ক্ষমতার ভারসাম্য আনার লক্ষ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব স্থান পেয়েছে। অবশ্য কিছু প্রস্তাবে বিএনপির নোট অব ডিসেন্ট বা ভিন্নমত আছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও