পাহাড়ের বুনো সৌন্দর্য রাইক্ষং

www.ajkerpatrika.com প্রকাশিত: ২০ আগস্ট ২০২৬, ১১:২৪

পাহাড়ের পরতে পরতে লুকিয়ে থাকা সৌন্দর্য দেখার সুবর্ণ সময় বর্ষা, শরৎ ও হেমন্তকাল। সেই পাহাড় যদি হয় তিন পার্বত্য জেলায়, তাহলে তো কথাই নেই। এই সময়গুলোতে পাহাড় তার রূপের ডালি মেলে ধরে। চারপাশে সবুজ আর সবুজ।


এবার আমাদের অভিযান ছিল রাঙামাটি জেলার গহিনে সৌন্দর্যের আধার রাইক্ষং ঝরনা। দলে ছিলাম ছয়জন। বগা লেক থেকে ভোর সাতটায় আল্লাহর নাম নিয়ে জুতসই বাঁশের লাঠি সম্বল করে হাঁটা শুরু। ঢেউখেলানো সারি সারি পাহাড়, ছড়া-ঝিরি মাড়িয়ে শুধু এগিয়ে যাচ্ছি। কখনো দুই হাজার ফুট ওপরে কখনো-বা দেড় হাজার ফুট নিচে; এভাবেই চলছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা চড়াই-উতরাই। কোথাও যে একটু নিশ্চিন্ত মনে জিরিয়ে নেব, শিকারি টাইগার জোঁকের কারণে সেই সুযোগটুকুও নেই।


বেশ কয়েক ঘণ্টা হাঁটার পর নাখজং পাড়ার দেখা পেলাম। সেখানে মুরংদের বসতি। বেশ কিছুক্ষণ বিশ্রামের পাশাপাশি সঙ্গে নেওয়া মুড়ি-চানাচুর তেল দিয়ে মেখে বেশ মজা করে খাওয়া হলো। খাওয়া শেষে আবার হাঁটা। আজকের গন্তব্য পুকুরপাড়া। পাহাড় অরণ্যে হাঁটতে হয় গুটি গুটি পায়ে, চারপাশে তাকিয়ে, কখনোবা নয়নাভিরাম প্রকৃতি দেখে থমকে যেতে হবে, তবেই না পাওয়া যাবে পাহাড়ে ঘোরার আনন্দ। অবাক বিস্ময়ের মনের আনন্দে হেলেদুলে হাঁটছি আর ক্যামেরার শার্টার টিপছি। প্রকৃতির রূপে এতটাই আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছি কখন যে পাহাড়ি মহিষা আর টাইগার জোঁক দেহ আলিঙ্গন করেছিল, টেরই পাইনি। কাপড় ভিজে লাল রক্ত গড়িয়ে পড়ছিল যখন, তখন হুঁশ ফিরেছে।


বেলা ২টা ২০ মিনিটে রুমা খালের দেখা পাই। খালের পানিতে ছড়ানো-ছিটানো প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট ছোট-বড় অসংখ্য পাথরের চাঁই, স্বচ্ছ শীতল পানি হাতে-মুখে দিয়ে, সঙ্গে থাকা চিড়া-গুড় দিয়ে দুপুরের খাবার সেরে নিই। এবার পাথর আর পানি ডিঙিয়ে গন্তব্যের দিকে ছুটে চলা। এনোংপাড়ায় আসতে প্রায় সন্ধ্যা। ডানে তাকিয়ে দেখি বিশাল বিশাল গাছ আর জঙ্গলে ঘেরা উঁচু এক পাহাড়। পুকুরপাড়া যেতে হলে এই পাহাড়টি ডিঙোতে হবে। এবার হয়তো ঢাকা থেকে বয়ে আনা রশির বস্তা কাজে আসবে। আমাদের রাত করে পাহাড়-জঙ্গলে হাঁটার দারুণ মজার মজার সব অভিজ্ঞতা আছে। কিন্তু গাইড কেন যেন বেঁকে বসল! তার জোরালো আবদার রাতে এনোংপাড়াতেই থেকে যান।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও