গ্যাস ও কাঁচামালের সংকট: ৭ সার কারখানার ছয়টিই বন্ধ

www.ajkerpatrika.com প্রকাশিত: ২০ আগস্ট ২০২৬, ১০:২৫

তীব্র গ্যাস সংকট, যান্ত্রিক ত্রুটি এবং কাঁচামাল সংকটে চট্টগ্রামের তিনটিসহ দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ছয়টি সার কারখানাই বন্ধ রয়েছে। শুধু একটি কারখানা উৎপাদনে রয়েছে। এতে সামনের আমন মৌসুমে সারের সরবরাহ নিয়ে কৃষকসহ সংশ্লিষ্টদের মধ্যে তৈরি হয়েছে চরম উদ্বেগ। মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের কারণে সেখান থেকে সার আমদানি নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তবে কৃষি মন্ত্রণালয় দাবি করছে, দেশে সারের সংকট নেই। যথেষ্ট মজুত রয়েছে। এ ছাড়া চলতি মাসেই আমদানি করা সার দেশে আসবে।


সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) অধীনে দেশে সাতটি সার কারখানা রয়েছে। বন্ধ কারখানাগুলোর মধ্যে রয়েছে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল), যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (জেএফসিএল), আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি (এএফসিএল), ট্রিপল সুপার ফসফেট (টিএসপি), ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) এবং শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি (এসএফসিএল)। শুধু ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পিএলসি (জিপি) সার কারখানা উৎপাদনে আছে।


এ বিষয়ে বিসিআইসির পরিচালক (বাণিজ্য) মো. মনিরুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে জানান, বিসিআইসির সাত সার কারখানার মধ্যে ছয়টি বন্ধ রয়েছে। তবে ২/১ দিনের মধ্যে সিলেট শাহজালাল ফার্টিলাইজার সার কারখানাটি আবার উৎপাদনে যাবে। উৎপাদন বন্ধ থাকলেও কারখানাটি ‘শাটডাউন’ করা হয়নি। আগামী আমন উৎপাদনে সারের কোনো ঘাটতি হবে না। কাতার ও সৌদি আরব থেকে হরমুজ এড়িয়ে বিকল্প পথে সার আমদানি করা হচ্ছে। রাশিয়া ও ব্রুনেই থেকেও সার আমদানির আলোচনা চলছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও