জ্বালানি সংকট সামলাতেই তিন মাস, সমাধানের চেষ্টায় ধীরগতি

প্রথম আলো প্রকাশিত: ২০ আগস্ট ২০২৬, ১০:২৪

সরকারের প্রথম ছয় মাসের মধ্যে তিন মাস পার হয়েছে জ্বালানিসংকট মোকাবিলায়। সরকার গঠনের মাত্র ১০ দিনের মাথায় মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ায় মার্চ-এপ্রিল দুই মাস কেটেছে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে। আর এখন প্রায় এক মাস ধরে চলছে গ্যাস–সংকট। সঙ্গে যোগ হয়েছে তীব্র লোডশেডিং। পরিস্থিতি সামলাতে সরকারের পক্ষ থেকে কিছু উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা বাস্তবায়নের গতি ধীর।


জ্বালানি খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, এটা ঠিক, জ্বালানিসংকটের দায় বর্তমান সরকারের নয়। দেড় দশক ধরে সংকট বেড়েই চলেছে। আর দায়িত্ব গ্রহণের শুরু থেকেই মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ সরকারকে বেকায়দায় ফেলেছে। এর সঙ্গে সম্প্রতি যুক্ত হয়েছে এলএনজি টার্মিনাল দুর্ঘটনা। তবে সংকট মোকাবিলায় সরকারের ব্যবস্থাপনায়ও ঘাটতি দেখা গেছে। দ্রুত উত্তরণে কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি।


গত মার্চে জ্বালানি তেলের সংকট নিয়ে ভীতি ছড়িয়ে পড়ে। মার্চের প্রথম চার দিনে স্বাভাবিকের চেয়ে দ্বিগুণ হারে তেল বিক্রি হয়। এটি নিয়ন্ত্রণে সরকার রেশনিং চালু করলে আরও আতঙ্কিত হয় মানুষ। ফিলিং স্টেশনে ভিড় বাড়তে থাকে। কিছুদিন পর রেশনিং প্রত্যাহার করা হলেও সরবরাহ বাড়ানো হয়নি। সরকারের একটার পর একটা সিদ্ধান্ত উল্টো ফল দিতে থাকে। টানা প্রায় দুই মাস দিন-রাত ভিড় ছিল ফিলিং স্টেশনে। এপ্রিলের শেষ দিকে রেকর্ড মূল্যবৃদ্ধি, ফুয়েল পাস চালু ও বাজারে সরবরাহ বাড়ানোর পর ভিড় কমে আসে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও