আপনার বাথরুম কি সত্যিই পরিষ্কার, জেনে নিন জীবাণুমুক্ত রাখার সহজ নিয়ম

www.ajkerpatrika.com প্রকাশিত: ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১১:০৩

ঘণ্টার পর ঘণ্টা ঘষাঘষি করে বাথরুম পরিষ্কার করলেন। এরপর যখন টাইলসগুলো চকচক করে উঠল, মনে হতেই পারে ঘরটি এখন একদম জীবাণুমুক্ত। কিন্তু সত্যি বলতে, দৃশ্যমান এই পরিচ্ছন্নতার পেছনেও লুকিয়ে থাকতে পারে অদৃশ্য এক অণুজীবের জগৎ। নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটি মেডিকেল সেন্টারের অণুজীববিজ্ঞানী ফিলিপ তিরনোর মতে, সব জীবাণুর মাত্র ১ থেকে ২ শতাংশ আমাদের অসুস্থ করে। তবে বাথরুমের মতো স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে নরোভাইরাস, ই-কোলাই কিংবা স্ট্যাফিলোকক্কাসের মতো ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক সহজে বাসা বাঁধতে পারে। একটু সচেতনতা এবং কিছু সহজ নিয়ম মেনে চললে বাথরুম রাখা সম্ভব পুরোপুরি স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ।


সঠিকভাবে জীবাণুমুক্তকরণ


শুধু পানি ও সাধারণ সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেললেই জীবাণু মরে না। সপ্তাহে অন্তত এক দিন বাথরুমের মেঝে ও ব্যবহৃত তলগুলো ব্লিচিং দ্রবণ দিয়ে পরিষ্কার করা উচিত। এই দ্রবণের জন্য ১ গ্যালন পানিতে সর্বোচ্চ ১ কাপ ব্লিচ মেশাবেন। কমোডের ভেতরের অংশটি স্ক্রাবার ও ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালোভাবে ঘষে ব্লিচিং দ্রবণ ১০ মিনিট বসতে দিন। তারপর ধুয়ে ফেলুন। যদি আপনার বাথরুমে শাওয়ারের পর্দা থাকে, তাহলে এটি বা এর ভেতরের লাইনার প্রতি ৩ থেকে ৬ মাস পর বদলে ফেলা ভালো।


ফ্লাশ করার অতি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম


সেন্ট লুইস ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক ডোনা ডুবার্গের মতে, টয়লেট বোলের প্রতি বর্গ ইঞ্চিতে প্রায় ৩২ লাখ অণুজীব থাকতে পারে। ঢাকনা খোলা রেখে ফ্লাশ করলে মলমূত্রের অদৃশ্য জীবাণু বাতাসের স্প্রের মতো চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে। তাই সব সময় কমোডের ঢাকনা নামিয়ে ফ্লাশ করার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও