১৮০ দিনে পরিবর্তনের সূচনা: অর্থনীতি, কূটনীতি ও জনকল্যাণে নতুন উদ্যোগ

প্রথম আলো শাহাদাৎ স্বাধীন প্রকাশিত: ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১০:৪১

তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার ছয় মাস পার করেছে। দীর্ঘ গণতন্ত্রের সংগ্রাম এবং চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পর দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন, জনগণের প্রত্যাশার চাপ, নতুন প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, রাজনৈতিক সহনশীল পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং সংসদীয় গণতন্ত্রের পুনরুজ্জীবনের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব এই সরকারের কাঁধে।


ফ্যাসিস্ট রেজিমের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতি ও দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যবস্থা থেকে উত্তরণ, একটি গতিশীল ও দেশের স্বার্থে সক্রিয় পররাষ্ট্রনীতি প্রতিষ্ঠা এবং দূরদর্শী পরিকল্পনার মাধ্যমে দেশকে সমৃদ্ধির মহাসড়কে তোলার কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে সরকার কাজ করছে।


গত ছয় মাসে সরকারের যেমন সংকট ছিল, তেমনি ছিল নানা চ্যালেঞ্জ। তবে সরকার তার উদ্যোগ নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।


সংকট পেরিয়ে অগ্রযাত্রা


সরকার ক্ষমতায় আসার সঙ্গে সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানিসংকট সরকারের জন্য অন্যতম চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। মধ্যপ্রাচ্যের সব দেশই এই সময়ে তাদের স্থানীয় বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে। এমনকি অনেক দেশে তা প্রায় ৩৩ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে, যদিও বাংলাদেশে দাম বেড়েছে ১০ শতাংশের কাছাকাছি।


সংকটের স্থায়ী ও টেকসই সমাধানে সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও নিজস্ব জ্বালানি উৎসের সন্ধানের দিকেও মনোযোগ দিয়েছে।


২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার, যা মোট চাহিদার ২০ শতাংশ। ইতিমধ্যে জাতীয় রুফটপ সোলার ও নেট মিটারিং কর্মসূচির আওতায় প্রথম ১৮০ দিনে ২০০ মেগাওয়াট নতুন সৌরবিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে। বিশ্বব্যাংক-সহায়িত প্রকল্পে জাতীয় গ্রিডে আরও ৩৩৮ মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ যুক্ত হয়েছে, যা বছরে প্রায় ৩ দশমিক ৭৭ লাখ টন কার্বন নিঃসরণ কমাবে।


পরিবেশ সুরক্ষা অন্যতম অগ্রাধিকার


পরিবেশ সুরক্ষা ও টেকসই উন্নয়নের অংশ হিসেবে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। আমিনবাজারে দৈনিক প্রায় তিন হাজার টন বর্জ্য ব্যবহার করে ৪২ দশমিক ৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রকল্প এবং মাতুয়াইলে আরেকটি বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প চলছে।


ঢাকা শহরের আশপাশের নদীদূষণের কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে। নদীর প্রবাহ পুনরুদ্ধার, দূষণ প্রতিরোধ এবং ঢাকা শহরের চারপাশে নৌযান চলাচল বাড়াতে ওয়াটার বাস চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।


ডেল্টা জাতি হিসেবে বাংলাদেশের পক্ষে পরিবেশ ও প্রতিবেশ রক্ষায় আর সময়ক্ষেপণ করা সম্ভব নয়। পানির স্তর প্রতিদিন নিচে নেমে যাচ্ছে। ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার কমানো, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের কর্মসূচি নিয়েছে সরকার। ইতিমধ্যে খাল খনন বা পুনঃখনন হয়েছে প্রায় ২ হাজার ১৬৫ কিলোমিটার।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও