You have reached your daily news limit

Please log in to continue


হকিতে সেই মানুষগুলো দরকার, যাঁরা এই খেলায় পরিবর্তন চান

কিছুদিন আগে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ২৫টির বেশি খেলার ফেডারেশনের পুরনো অ্যাডহক কমিটি ভেঙে দিয়ে নতুন করে অ্যাডহক কমিটি গঠন করে দিয়েছে। জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এই অ্যাডহক বডি ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করে নির্বাচিত কমিটির কাছে দায়িত্বভার হস্তান্তর করবে। ক্রীড়াঙ্গন পরিচালিত হবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত সংগঠকদের দ্বারা।

বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের (বিএইচএফ) অ্যাডহক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ইশতিয়াক সাদেক। তরুণ ও উদ্যমী ক্রীড়া সংগঠক। ক্লাবে সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন ছাড়াও জাতীয় পর্যায়ে ক্রিকেট, হকি ছাড়াও অন্যান্য খেলার আয়োজনে তাঁর সাংগঠনিক কর্মদক্ষতা প্রমাণিত।

ইশতিয়াক সাদেকের আরেকটি পরিচয় হলো তিনি দেশের কিংবদন্তি হকি খেলোয়াড় এবং সব্যসাচী ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব আবদুস সাদেকের বড় ছেলে। চিন্তা-চেতনায় প্রগতিতে বিশ্বাসী ইশতিয়াকের রক্তের মধ্যে মিশে আছে হকি খেলাটি। তাঁর চাচা দেশের বৃহত্তর শিল্পগোষ্ঠী এবং করপোরেট হাউস বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান একসময় নিয়মিতভাবে হকি খেলেছেন। তাঁর পজিশন ছিল রাইট হাফ।

আহমেদ আকবর সোবহান তৎকালীন পাকিস্তান আমলে পূর্ব পাকিস্তান যুব দলের অধিনায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বাংলাদেশ জাতীয় হকি চ্যাম্পিয়নশিপে খেলেছেন কুমিল্লা জেলা দলের হয়ে। আবদুস সাদেক ও আহমেদ আকবর সোবহানের বাবা আলহাজ আবদুস সোবহান ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ব্যাচের ছাত্র এবং আইনজীবী। ছিলেন মনেপ্রাণে ক্রীড়াবিদ। খুব ভালো সাঁতারু ছিলেন। নিয়মিতভাবে ব্যাডমিন্টন খেলতেন।

বসুন্ধরা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা আহমেদ আকবর সোবহানের চার পুত্রসন্তান। তাঁরা হলেন সাদাত সোবহান, সাফিয়াত সোবহান, সায়েম সোবহান ও সাফওয়ান সোবহান। প্রত্যেকেই নিজেদের কর্মক্ষেত্রে যোগ্যতার প্রমাণ রেখেছেন। এখানে উল্লেখ করার বিষয় হলো, এই চারজনই খাঁটি খেলাপ্রেমী এবং অনুরাগী। পিতা ও পুত্রদের খেলার প্রতি ভালোবাসা এবং নির্দিষ্ট লক্ষ্যের পরিপ্রেক্ষিতে গ্রুপ বছরের পর বছর ধরে ক্লাব, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন খেলার ক্ষেত্রে (ফুটবল, ক্রিকেট, হকি, গলফ, স্কোয়াশ, টেনিস, ব্যাডমিন্টনসহ আরো অন্যান্য খেলায়) পৃষ্ঠপোষকতা করেছে। পাশাপাশি অত্যাধুনিক কাঠামো নির্মাণ করে ক্রীড়া পরিবেশকে (বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটি) আন্তর্জাতিক মানে পৌঁছে দিয়েছে। বেসরকারি পর্যায়ে ক্রীড়াঙ্গনে এত বড় বিনিয়োগ শুধু বাংলাদেশ নয়, দক্ষিণ এশিয়ার আর কোনো দেশে নেই। ক্রীড়াবান্ধব পরিবারের জন্যই ক্রীড়াঙ্গনের জন্য কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ সম্ভব হয়েছে।

বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের নতুন অ্যাডহক কমিটি সরকার কর্তৃক জানান দেওয়ার পর ইতিবাচক যে বিষয়টি সচেতন হকি অনুরাগীদের দৃষ্টি কেড়েছে, সেটি হলো সাধারণ সম্পাদক ইশতিয়াক সাদেকের সঙ্গে তাঁর সহকর্মীদের সম্মিলিতভাবে বিষয়টি ঘিরে উৎসাহব্যঞ্জক প্রতিক্রিয়া। হকির জন্য সবাই মিলেমিশে কিছু করার তাড়না আর উৎসাহ—সবাই বিশ্বাস করতে চাইছেন, হকিতে সম্ভাবনা আছে, আন্তরিক হলে যেটি কাজে লাগানো সম্ভব।

কয়েক বছর ধরে দেশে হকিচর্চার পরিবেশ অনুকূলে ছিল না। অরাজকতা, অর্থনৈতিক কার্যকলাপ, বিশৃঙ্খলা, ব্যক্তি ও সমষ্টির স্বার্থে সংগঠকদের মধ্যে বিরোধ আর দ্বন্দ্ব খেলার চত্বরকে সব সময় অস্থির করে রেখেছে। দ্বিচারিতা আর সংগঠকদের মধ্যে স্বার্থের লড়াই সম্ভাবনাময় খেলাটিকে সুষ্ঠু অবস্থার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাধাগ্রস্ত করেছে বারবার। ক্লাব রাজনীতি হকির সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছে। কর্মকর্তারা ভেবেছেন, তাঁরা ছাড়া উপায় নেই। খেলা মাঠে নামবে না। তাঁদের স্বার্থ বাধাগ্রস্ত হলে অসুস্থ পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে না নিতে পেরে নিবেদিত হকি সংগঠকদের কেউ কেউ স্বেচ্ছায় এই চত্বর থেকে বিদায় নিয়েছেন। অতীতে নির্বাচনের নামে রীতিমতো নোংরামির আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। সত্যিকারের যোগ্য সংগঠকদের অবমূল্যায়ন করা হয়েছে কৌশল অবলম্বন করে। মকসুদ পূর্ণ হয়েছে একত্ববাদী একদল সংগঠকের, যাঁরা সব সময় খেলা থেকে নিজেদের বড় ভেবেছেন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন