১২ ঘণ্টার অপেক্ষায় পাওয়া গ্যাসে চলে ৫ ঘণ্টা
বেলা সাড়ে ১১টা। গ্যাসপাম্পের সামনে তখনো সারি সারি সিএনজিচালিত অটোরিকশা। কোনো চালক গাড়ির পাশে বসে আছেন, কেউ ক্লান্ত শরীরে সিটে হেলান দিয়ে চোখ বুজেছেন। সবাই অপেক্ষায় কখন গ্যাস পাবেন, কখন গাড়ি নিয়ে রাস্তায় নামবেন। কিন্তু সেই অপেক্ষার শেষ হয় না।
এই চিত্র গতকাল রোববার চট্টগ্রামের কর্ণফুলীর মইজ্জ্যেরটেক এলাকার পাশাপাশি চারটি ফিলিং স্টেশনের। স্টেশনগুলো হলো রহমান সিএনজি রিফুয়েল স্টেশন, হজরত তৈয়ব শাহ্ সিএনজি লিমিটেড, জিলানী সিএনজি ফিলিং স্টেশন এবং কর্ণফুলী সিএনজি অ্যান্ড ফিলিং স্টেশন। প্রতিটি স্টেশনেই গ্যাসের অপেক্ষায় গাড়ির দীর্ঘ সারি। কোথাও কোথাও সেই সারি কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
মইজ্জ্যারটেকে হজরত তৈয়ব শাহ সিএনজির সামনে মুফিজুর রহমান নামে এক চালক বলেন, ‘গত ১৫ দিন ধইরা এমন চলতেছে। কখনো ১০ ঘণ্টা, কখনো ১২ ঘণ্টা অপেক্ষা করে গ্যাস পাই। এমনে অপেক্ষা কইরা গাড়ি চালাই কখন? গত ১৫ দিনে বেশির ভাগ রাতেই বাসায় যেতে পারিনি। দিনে গাড়ি চালাই, এরপর রাতে গ্যাসের লাইনে দাঁড়াই। কখনো ভোররাতে, কখনো সকালে বাসায় ফিরি। কয়েক ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করে আবার গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পড়ি।’
- ট্যাগ:
- বাংলাদেশ
- গ্যাস সঙ্কট