You have reached your daily news limit

Please log in to continue


‘বার্থ ট্যুরিজম’ বন্ধ করতে ট্রাম্পের নতুন উদ্যোগ

ক্যাথে প্যাসিফিকের ফ্লাইটে হংকং হয়ে বেশ কয়েকবার ঢাকা-নিউইয়র্ক-ঢাকা যাতায়াত করলেও ২০১০ সালের ১২ মে সকালে নিউইয়র্ক থেকে বিমানে আরোহণের অগ্রাধিকার অনুযায়ী শিশুসহ মাদের আহ্বান করা হলে প্রথমবারের মতো ৪০টি নবজাত শিশুকে নিয়ে তাদের মাদের বিমানে আরোহণ করতে দেখেছি।

তাদের মধ্যে ১০টি শিশুকে ধরে নিতে পারি, চীনা বংশোদ্ভূত ন্যাচারালাইজ্ড আমেরিকানের সন্তান। অবশিষ্ট ৩০ জনই যে তাদের প্রেগন্যান্সির অ্যাডভান্স স্টেজে ‘বি-২’ বা ট্যুরিস্ট ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে বেড়াতে এসে সন্তান জন্মের পর তাদের আমেরিকান বার্থ সার্টিফিকেট নিয়ে দেশে ফিরে যাচ্ছেন, সে ব্যাপারে সন্দেহের কোনো কারণ নেই।

১৮৬৮ সালের আমেরিকান সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনী যুক্তরাষ্ট্রে কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া বৈধ-অবৈধ নির্বিশেষে সবার ‘জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের’ অধিকার দিয়েছে। এ সাংবিধানিক অধিকার অনুযায়ী কোনো গর্ভবতী নারী, তার জাতীয়তা, ধর্ম, বর্ণ যাই হোক না কেন, তিনি যদি আমেরিকান ভূখণ্ডে এবং আমেরিকান জলসীমায় আমেরিকান পতাকাবাহী জাহাজে বা আমেরিকান আকাশসীমায় আমেরিকান পতাকাবাহী বিমানে সন্তানের জন্ম দেন, তাহলে তার সন্তান জন্মসূত্রে আমেরিকান নাগরিকত্ব লাভ করে।

কিন্তু সে সংখ্যা যে এত বিপুল হতে পারে, আমার নিউইয়র্ক-হংকং বিমানযাত্রায় তা দেখে রীতিমতো বিস্মিত হয়েছিলাম। নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের বেশকিছু বিমানবন্দর থেকে প্রায় এক ডজন চীনা ও আমেরিকান এয়ারলাইন্স হংকং ছাড়াও মেইনল্যান্ড চীনের বিভিন্ন বিমানবন্দরে প্রায় ৫০টি ফ্লাইট অপারেট করে। শুধু হংকংগামী একটি ফ্লাইটেই যদি এতগুলো সদ্যোজাত শিশু নিউইয়র্ক থেকে তাদের মায়ের দেশে যায়, তাহলে সারা বছর এ সংখ্যা কত হতে পারে? চীন ছাড়া পৃথিবীর আরও অনেক দেশ নিশ্চয়ই একই কৌশল অবলম্বন করে।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার দল রিপাবলিকান পার্টির ‘বার্থরাইট সিটিজেনশিপ’ বা জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের অধিকার নিয়ে প্রচণ্ড মাথাব্যথা। ট্রাম্প হোয়াইট হাউজে তার প্রথম মেয়াদে এর বিরোধিতা করলেও তখন এ অধিকার খর্ব করার জোরালো কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। কারণ এ অধিকার বাতিল করতে জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের অধিকার নিশ্চিতকারী সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনীর অধিকতর সংশোধন আনতে যে কাঠখড় পোড়ানোর প্রয়োজন হবে, তা রিপাবলিকানরা অদূর ভবিষ্যতে তো পূরণ করতে পারবেই না, সুদূর ভবিষ্যতেও তাদের পক্ষে তা সম্ভব হবে বলে যারা আশা করেন, তারা দিবাস্বপ্নের মধ্যে রয়েছেন।

এ সংশোধনী অনুমোদিত হওয়ার পর এটিকে চ্যালেঞ্জ করে অনেক মামলা হয়েছে, অনেক প্রেসিডেন্ট জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের অধিকার খর্ব বা সীমিত করার উদ্দেশ্যে তাদের নির্বাহী আদেশ জারি করেছেন। এ ধরনের প্রতিটি নির্বাহী আদেশ আমেরিকার সর্বোচ্চ আদালতে চ্যালেঞ্জ হয়েছে এবং প্রেসিডেন্টদের আদেশ কখনো বাস্তবায়িত হতে পারেনি। সুপ্রিমকোর্ট প্রতিবার কমবেশি একই ধরনের ব্যাখ্যা দিয়েছেন, এ ধরনের নির্বাহী আদেশ বা প্রচেষ্টা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ১২৮ বছর আগে ১৮৯৮ সালে জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের ওপর ‘যুক্তরাষ্ট্র বনাম ওং কিম’ মামলায় সুপ্রিমকোর্ট যে ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন, সেটিই এখনো প্রতিষ্ঠিত রয়েছে। ওই মামলার রায়ে বলা হয়েছিল, ‘‘অভিবাসী বাবা-মায়ের যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারী শিশুরা জন্মের সময়ই নাগরিক। একমাত্র সংকীর্ণ ব্যতিক্রম হলো বিদেশি কূটনীতিকদের সন্তানরা, যাদের যুক্তরাষ্ট্রের ‘এখতিয়ারের অধীন’ বলে বিবেচনা করা হয় না।’’

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন