সাপ মারতে জাপানে নেওয়া হয়েছিল বাংলাদেশি বেজি, শেষ পর্যন্ত ঘটেছিল উল্টোটা
প্রথম আলো
প্রকাশিত: ১৩ আগস্ট ২০২৬, ১২:২২
ঘটনাটি জাপানের আমামি ওশিমা দ্বীপের। প্রায় ৭১২ বর্গকিলোমিটারের এই দ্বীপ পরে ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হয়। দ্বীপটির বনভূমিতে এমন অনেক প্রাণীর বাস, যেসব পৃথিবীর অন্য কোথাও পাওয়া যায় না। এর মধ্যে অন্যতম আমামি খরগোশ—একটি বিরল ও বিপন্ন প্রাণী।
কিন্তু ১৯৭৯ সালে দ্বীপটির লোকজন এসব প্রাণীর ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত ছিল না। তখন তাদের বড় ‘মাথাব্যথা’ ছিল হাবু—বিষধর একধরনের পিট ভাইপার সাপ।
হাবুর কামড় আমামি দ্বীপপুঞ্জে দীর্ঘদিন ধরেই মানুষের জন্য বড় সমস্যা ছিল। ১৯৬৭ থেকে ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত আমামি দ্বীপপুঞ্জের আমামি ওশিমা, টোকুনোশিমা ও আশপাশের দ্বীপগুলোতে হাবুর কামড়ের ২ হাজার ৬৭৩টি ঘটনা নথিবদ্ধ হয়েছিল। তাই সাপ কমানোর একটি মোক্ষম উপায় খুঁজছিল কর্তৃপক্ষ।