এসএসসির ফল বিপর্যয়ের নেপথ্যে যত কারণ

কালের কণ্ঠ প্রকাশিত: ১২ আগস্ট ২০২৬, ১০:১৩

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। চলতি বছরের পরীক্ষায় ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ।

এটি ২০০৭ সালের ৫৭ দশমিক ৩৭ শতাংশের পর সর্বনিম্ন। ২০১৬ সালে পাসের হার ছিল ৮৮ দশমিক ২৯ শতাংশ। এটি এক দশকে পাসের হার ২৬.০৪ শতাংশ কমেছে। এ ফল বিপর্যয়ের পেছনে একাধিক কারণ দেখছেন শিক্ষাসংশ্লিষ্টরা।


কারিকুলাম ও মূল্যায়ন পদ্ধতি বারবার পরিবর্তন


চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে কারিকুলাম ও মূল্যায়ন পদ্ধতিতে একাধিক পরিবর্তন এসেছে। নবম শ্রেণিতে তারা নতুন কারিকুলাম ও ভিন্ন মূল্যায়ন পদ্ধতির অভিজ্ঞতা লাভ করলেও পরে আবার লিখিত পরীক্ষাভিত্তিক পদ্ধতিতে ফিরতে হয়েছে। শিক্ষাসংশ্লিষ্টদের মতে, হঠাৎ এ পরিবর্তনের সঙ্গে অনেক শিক্ষার্থী খাপ খাইয়ে নিতে পারেনি।


করোনা মহামারির দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব


করোনা মহামারির কারণে এ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনও ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়েছে। তারা পঞ্চম শ্রেণিতে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি। দীর্ঘ সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শ্রেণিকক্ষভিত্তিক শিক্ষায়ও ঘাটতি তৈরি হয়। কারিকুলাম পরিবর্তনের পাশাপাশি করোনা মহামারির দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবও এই ব্যাচটিকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।


শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের মান নিয়ে প্রশ্ন


শিক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু কারিকুলাম ও পরীক্ষা পদ্ধতির পরিবর্তন দিয়ে ফল বিপর্যয়ের ব্যাখ্যা করা যাবে না। শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের মান, শিক্ষকদের দক্ষতা এবং শিক্ষার্থীদের শেখার ঘাটতিও বিবেচনায় নিতে হবে। ক্লাসরুমের পাঠদানের মান সন্তোষজনক নয়। একাধিক গবেষণায় দেখা যায়, শিক্ষকদের যোগ্যতার দিক থেকে মাত্র ৬০ শতাংশের মতো শিক্ষক পর্যাপ্তভাবে যোগ্য।


নতুন কারিকুলামে শিক্ষকদের প্রস্তুতির ঘাটতি


শিক্ষকদের একটি অংশও নতুন কারিকুলাম ও মূল্যায়ন পদ্ধতির সঙ্গে যথেষ্ট প্রস্তুতি নিয়ে খাপ খাওয়াতে পারেনি বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে শিক্ষকেরাও নতুন কারিকুলামের জন্য পর্যাপ্ত প্রস্তুত ছিলেন না। ফলে আবার লিখিত ও সৃজনশীল পরীক্ষায় ফিরে আসার পর শিক্ষার্থী ও শিক্ষক দুই পক্ষকেই দ্রুত নতুন পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে হয়েছে।


পরীক্ষায় কঠোরতা ও মূল্যায়নে স্বচ্ছতা


এবার পাসের হার কমার পেছনে পরীক্ষার কঠোরতা ও খাতা মূল্যায়নের বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। সংশ্লিষ্ট অনেকের ধারণা, আগের বছরগুলোর তুলনায় এবার অনিয়ম রোধে বেশি কঠোরতা এবং খাতা মূল্যায়নে নমনীয়তা না দেখানোর প্রভাব ফলাফলে পড়েছে। এবার অত্যন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। যারা পড়াশোনা করেছে, তারা কোনো সমস্যার মুখোমুখি হয়নি।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও