‘হেযবুত তওহীদ’ নিষিদ্ধ চায় হেফাজত, ১৩ দফা এখন ৯

প্রথম আলো প্রকাশিত: ১১ আগস্ট ২০২৬, ১৪:৫১

ধর্মীয় বিষয়ে সরকারের কাছে দাবিদাওয়ার সংখ্যা কমিয়ে এনেছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। ২০১৩ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের কাছে ১৩ দফা দাবি তুলে সারা দেশে আলোচনায় আসা সংগঠনটি এবার বিএনপি সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে ৯ দফা দাবি পেশ করেছে। সংগঠনের বর্তমান ও অতীতের দাবিগুলো বিশ্লেষণ করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, আগের গুরুত্বপূর্ণ দাবিগুলোর কিছু কিছু হেফাজত নিজে থেকেই ‘আশ্বস্ত’ হয়ে বাদ দিয়েছে। আবার নতুন কিছু দাবি যুক্ত করা হয়েছে।


গত রোববার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি সফরে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার যান। নানা কর্মসূচির ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী ফটিকছড়িতে আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় গিয়ে হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ মহিবুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় হেফাজতে ইসলামের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। ওই বৈঠকে হেফাজতে ইসলামের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ধর্মীয় বিষয়ে ৯ দফা দাবি তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে নতুন দাবি এসেছে, ‘হেযবুত তওহীদ’ নামের সংগঠনটি নিষিদ্ধ করতে হবে।


এর আগে হেফাজতে ইসলাম সরকারের কাছে যত দাবিদাওয়া পেশ করেছিল, এর মধ্যে কাদিয়ানি সম্প্রদায়কে ‘অমুসলিম’ ঘোষণার দাবি সব সময়ই আছে। এবার হেযবুত তওহীদ নিষিদ্ধ করার দাবি সামনে আনা হয়েছে।


এসব বিষয়ে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব আজিজুল হক ইসলামাবাদী প্রথম আলোকে বলেন, হেযবুত তওহীদ ইসলামকে বিকৃত করছে, বিভিন্ন ফিতনা ছড়াচ্ছে। তাদের তৎপরতা দেশের জন্য হুমকিস্বরূপ। এ জন্য সংগঠনটি নিষিদ্ধ করার দাবি জানানো হয়েছে।


এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে যেসব নতুন দাবি তুলে ধরা হয়, এর মধ্যে রয়েছে কওমি মাদ্রাসা শিক্ষায় দাওরায়ে হাদিসকে মাস্টার্সের সমমানের স্বীকৃতির কার্যকর বাস্তবায়ন করা। পাশাপাশি ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরের ঘটনা, ২০২১ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরকে কেন্দ্র করে সহিংসতার ঘটনা ও ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিও রাখা হয়েছে।


ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার ২০১৮ সালে দাওরায়ে হাদিসকে আরবি সাহিত্য ও ইসলামি শিক্ষায় মাস্টার্সের সমমান দেয়। এরপর ওই বছরের ৮ নভেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শোকরানা মাহফিল আয়োজন করে কওমি মাদ্রাসাগুলোর সর্বোচ্চ সংস্থা আল–হায়াতুল উলয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশ। হেফাজতের তৎকালীন আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীর (বর্তমানে প্রয়াত) সভাপতিত্বে ওই মাহফিলে শেখ হাসিনাকে ‘কওমী জননী’ ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও