টানাটানির সংসারে ফ্যামিলি কার্ডে স্বস্তি

ডেইলি স্টার প্রকাশিত: ০৯ আগস্ট ২০২৬, ১১:০৫

পটুয়াখালীর একটি চরে থাকেন ৩২ বছর বয়সী তানজিলা বেগম। তাদের সংসারের আয়-রোজগারের কোনো ঠিকঠিকানা নেই। স্বামী আশেপাশের তরমুজ খেতে দিনমজুরি করেন। কিন্তু জোয়ারের পানি বা ঝোড়ো আবহাওয়ায় প্রায়ই ফসল নষ্ট হয়ে যায়। তখন স্বামীর কাজ বন্ধ থাকে, আর সংসার চালানোও কঠিন হয়ে পড়ে।


তানজিলা বলেন, ‘আমাদের নিজেদের কোনো জমিজমা নেই। স্বামী দিনমজুরি করেন, আর আমি অন্যের বাড়িতে কাজ করি। কিন্তু সব দিন তো কাজ মেলে না, তাই সংসার চালানো খুব কষ্টের।’


তবে এখন দিন কিছুটা বদলেছে। তানজিলা প্রতি মাসে সরাসরি নিজের ডিজিটাল অ্যাকাউন্টে ২ হাজার ৫০০ টাকা পান। এখান থেকে ৫০০ টাকা তিনি দুর্যোগের দিনের জন্য জমিয়ে রাখেন, আর বাকি ২ হাজার টাকা দিয়ে সংসারের খাবার-দাবার ও ছোট ছেলের পড়াশোনার খরচ চালান। 


গলাচিপা উপজেলায় সরকারের ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির পাইলট প্রকল্পে যে প্রথম ৮০৮ জন এই সুবিধা পাচ্ছেন, তানজিলা তাদেরই একজন।


গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুজার মো. ইজাজুল হক বলেন, এই উপকূলীয় এলাকার বেশির ভাগ মানুষই দরিদ্র। তাদের আয়ের প্রধান উৎস মাছ ধরা ও কৃষিকাজ। বিশেষ করে তরমুজ চাষের ওপর অনেক পরিবার নির্ভরশীল।


প্রত্যন্ত ও প্রান্তিক মানুষের জীবন-জীবিকার অভিজ্ঞতার কথা বিবেচনায় রেখে সরকার এই কর্মসূচি সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। কর্মকর্তারা বলছেন, কয়েক দশকের মধ্যে দেশের সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থায় এটি সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হতে পারে।


‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির লক্ষ্য হলো সরকারের বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিকে একটি ব্যবস্থার আওতায় আনা। বর্তমানে এসব কর্মসূচি অনেকটা বিচ্ছিন্নভাবে পরিচালিত হয়। ফলে প্রশাসনিক জটিলতা, অনিয়ম ও রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগও রয়েছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও