You have reached your daily news limit

Please log in to continue


যুদ্ধের মুনাফা, করপোরেট লুট এবং তৃতীয় বিশ্ব

যুদ্ধ কেবল রাষ্ট্রের মধ্যে অস্ত্রের সংঘর্ষ নয়; এটি বৈশ্বিক অর্থনীতির শক্তির ভারসাম্যও পুনর্নির্ধারণ করে। ইতিহাস বারবার দেখিয়েছে, প্রতিটি বড় যুদ্ধ বা ভূরাজনৈতিক সংকটের আড়ালে কিছু গোষ্ঠী বিপুল অর্থনৈতিক লাভের সুযোগ খুঁজে নেয়। ২০২৬ সালে ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক সংঘাত তার আরেকটি স্পষ্ট উদাহরণ। যুদ্ধ, হরমুজ প্রণালীর অচলাবস্থা এবং জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তার সুযোগে বিশ্ববাজারে তেলের দাম দ্রুত বেড়েছে। আর সেই মূল্যবৃদ্ধির সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী হয়েছে বিশ্বের বহুজাতিক তেল কোম্পানিগুলো, যখন সাধারণ মানুষকে বহন করতে হয়েছে মূল্যস্ফীতি, জ্বালানি সংকট এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির ভার।

সাম্প্রতিক আর্থিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, ব্রিটিশ জ্বালানি কোম্পানি বিপি (BP) ২০২৬ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ৫ দশমিক ৭৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা প্রায় ৪ দশমিক ৩ বিলিয়ন পাউন্ড মুনাফা করেছে, যা আগের প্রান্তিকের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। একই সময়ে শেল (Shell) প্রায় ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার নিট মুনাফা অর্জন করেছে। আন্তর্জাতিক সংস্থা গ্লোবাল উইটনেস (Global Witness)–এর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, BP, Shell, TotalEnergies, ExxonMobil এবং Chevron—এই পাঁচটি বৃহৎ তেল কোম্পানি মাত্র তিন মাসে সম্মিলিতভাবে ৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মুনাফা করেছে। অর্থাৎ প্রতিদিন প্রায় ৫৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, প্রতি ঘণ্টায় ২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৬ হাজার মার্কিন ডলার লাভ তাদের কোষাগারে জমা হয়েছে। ২০২২ সালের জ্বালানি সংকটের পর এটিই ছিল তাদের সবচেয়ে লাভজনক প্রান্তিক।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন