সবচেয়ে জরুরি মুহূর্তে আমার স্ত্রীর বুদ্ধিই কেন বেশি কাজে লাগে

প্রথম আলো প্রকাশিত: ০৬ আগস্ট ২০২৬, ১২:৪৬

‘প্রকৃত বুদ্ধিমত্তা কী? কখন সঙ্গে সঙ্গে প্রতিক্রিয়া দেখাতে হয় না, তা জানা। আর সে রকম পরিস্থিতিতে নিজেকে সংবরণ করে পরিণত আচরণ করা।


‘আমি নিজেকে বুদ্ধিমানই মনে করি। অন্তত এত দিন তা–ই ভেবে এসেছি। আমি দ্রুত ভাবতে পারি। খুব সহজেই নানা বিষয়ের মধ্যে সম্পর্ক খুঁজে পাই। অনেক সময় অন্যরা প্রশ্নটা শেষ করার আগেই আমার মাথায় উত্তর চলে আসে। আমাদের অনেকের কাছেই দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়াটাই বুদ্ধিমত্তার লক্ষণ বলে মনে হয়। আমারও তা–ই মনে হতো। কিন্তু একটা সময় বুঝেছি, সব সময় তা সত্যি নয়।


‘আমার স্ত্রীর মধ্যে এমন একধরনের বুদ্ধিমত্তা আছে, যা একসময় আমাকে বিরক্ত করত। সে হুট করেই থামে। বিরতি নেয়। আর তা কয়েক সেকেন্ড বা কয়েক মিনিটের জন্য নয়। কখনো কখনো তা আমার সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে যায়। ইচ্ছা করে নীরবতার তীব্র ফাঁকটা আমি নিজেই জোর পূরণ করে দিই।


‘কিন্তু সে কোনো তাড়াহুড়া করে না। বিষয়টা নিয়ে কিছুক্ষণ থাকে। তারপর ঠান্ডা মাথায় ভাবে। আপনি যদি আমার মতো হন, যিনি বুদ্ধিমত্তাকে গতির সঙ্গে মিলিয়ে দেখেন, তাহলে এই বিরতি আপনার মনে অস্বস্তি আর দ্বিধা তৈরি করতে পারে। মনে হতে পারে যেন ইঞ্জিন চলছে, কিন্তু গাড়ি কোথাও যাচ্ছে না।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও