গাজার ধ্বংসস্তূপে স্বপ্নছোঁয়ার হাসি
যুদ্ধবিরতি হয়েছে; কিন্তু যুদ্ধ শেষ হয়নি। এখনো ইসরাইলি বিমানগুলো ভয়াবহ মাত্রায় বোমা ফেলছে, শিশু বা নারী, হাসপাতাল কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কোনো কিছুই রেহাই পাচ্ছে না। ফলে গাজা মানেই প্রতি মুহূর্তের মৃত্যুঝুঁকি, অনাহার, ধ্বংসস্তূপ, ভেঙে পড়া ভবন, বাস্তুচ্যুত মানুষের দীর্ঘ সারি। আর সেই অনিশ্চয়তার মধ্যেই প্রকাশিত হলো ‘তাওজিহি’ পরীক্ষার ফলাফল। ফল হাতে নিয়ে দুঃসহ কষ্টেও গাজার শিক্ষার্থীদের মুখে ফুটে উঠল অনাবিল হাসি। সেই হাসি কেবল ভালো ফলের আনন্দ নয়; এটি বেঁচে থাকার, স্বপ্ন দেখার এবং ভবিষ্যৎকে আঁকড়ে ধরার এক নজিরবিহীন ঘোষণা।
ফিলিস্তিনের সাধারণ মাধ্যমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা-তাওজিহি (আমাদের দেশের এইচএসসি সমমানের)-শিক্ষার্থীদের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাগুলোর একটি। এ পরীক্ষার ফলের ওপর নির্ভর করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ, উচ্চশিক্ষার পথ এবং অনেক ক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ পেশাজীবনের দিকনির্দেশনা। তাই তাওজিহি শেষ করা ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থীদের কাছে শুধু একটি শিক্ষাবর্ষের সমাপ্তি নয়; এটি জীবনের নতুন অধ্যায়ে প্রবেশের দরজা। তবে গাজার শিক্ষার্থীদের জন্য সেই দরজা খুলেছে এক ভয়াবহ বাস্তবতার মধ্য দিয়ে।
- ট্যাগ:
- মতামত
- যুদ্ধবিরতি