You have reached your daily news limit

Please log in to continue


সার্জিও গরের সফর প্রশ্ন, কূটনীতি ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির বাস্তবতা

যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত এবং ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গরের ঢাকা সফর কূটনৈতিক অঙ্গনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠকের পর কোনো যৌথ বিবৃতি দেওয়া হয়নি। পূর্বনির্ধারিত নৈশভোজ অনুষ্ঠিত হয়নি। সার্জিও গরের সম্মানে আয়োজনের কথা থাকলেও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও হয়নি। এসব পরিবর্তনের কারণ সম্পর্কে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

বাংলাদেশের নতুন সরকারের বয়স মাত্র পাঁচ মাস। কিন্তু এরই মধ্যে পররাষ্ট্রনীতি এমন এক পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে, যেখানে প্রতিটি উচ্চপর্যায়ের বিদেশ সফর কূটনৈতিক যোগাযোগের পাশাপাশি রাজনৈতিক ব্যাখ্যা ও জল্পনারও জন্ম দিচ্ছে।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি যেন এখন কূটনীতির চেয়ে রহস্যের আবরণেই বেশি আলোচিত হচ্ছে। বৈঠক হয়, ছবি তোলা হয়, করমর্দন হয়; এরপর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এমনভাবে নীরব থাকেন, যেন আলোচনার সবকিছুই রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তার অন্তর্ভুক্ত। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে প্রায়ই শোনা যায়—‘এটি আলোচনা হয়নি’, ‘ওটি আলোচনায় আসেনি’। যদি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো আলোচনায় না-ই আসে, তাহলে দীর্ঘ বৈঠকের মূল আলোচ্য কী ছিল—এ প্রশ্ন স্বাভাবিকভাবেই ওঠে। কূটনীতিতে নীরবতা অবশ্যই একটি স্বীকৃত ভাষা। কিন্তু সেই নীরবতা যদি নিয়মে পরিণত হয়, তাহলে তথ্যের ঘাটতি পূরণ করতে শুরু করে অনুমান, গুজব ও ব্যাখ্যার রাজনীতি।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন