শোষণ, বঞ্চনা ও বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার

যুগান্তর ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী প্রকাশিত: ০৪ আগস্ট ২০২৬, ১০:৪৭

২০২৪ সালের জুলাই থেকে আগস্টের প্রথম সপ্তাহজুড়ে ছাত্র-জনতার অভূতপূর্ব ও অভূতশ্রুত গণ-আন্দোলনের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী শাসক শেখ হাসিনার পতন ঘটে। উদীয়মান তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বিকশিত নবজাগরণের বা রেনেসাঁর উন্মেষ থেকেই নবপর্র্যায়ের এ গণ-অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়। এ দেশের ছাত্র-জনতার বহু ত্যাগ-তিতিক্ষা ও রক্তের বিনিময়ে এ বিজয় অর্জন সম্ভব হয়েছে। তাই এ মুহূর্তে বলতে ইচ্ছে করে-‘বীরের এ রক্তস্রোত, মাতার এ অশ্রুধারা’; যায়নি বৃথা, যাবে না বৃথা।


গত শতাব্দীর অন্যতম ফ্যাসিবাদী শাসক হিটলার তার পতনের বছরকয়েক আগে দম্ভ করে ঘোষণা করেছিলেন, ‘The Third Reich will rule the world for one thousand years,’ অর্থাৎ হিটলারের জার্মানি (তৃতীয় জার্মান রাষ্ট্র বা সাম্রাজ্য) এক হাজার বছর পৃথিবী শাসন করবে। এ ঘোষণার মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে হিটরালের শোচনীয় পরাজয় ঘটে। তার পরাজয়ের মধ্য দিয়ে এক নতুন পৃথিবীর যাত্রা শুরু হয়। ইতালীয় দার্শনিক ফ্যাসিবাদের প্রবক্তা ভিলফেডো পেরেটো মুসোলিনির শাসনকে বৈধতা দেওয়ার জন্য তত্ত্ব হাজির করেন-‘History is the graveyard of aristocracy,’ অর্থাৎ মানব ইতিহাস অভিজাততন্ত্রের সমাধিক্ষেত্র। কিন্তু পেরেটোর তত্ত্বকে মিথ্যা প্রমাণিত করে মুসোলিনির ভাগ্যে নেমে আসে করুণ পরাজয়। এরও আগে অষ্টাদশ শতাব্দীতে ফরাসি দেশের অত্যাচারী রাজা চতুর্দশ লুই ঘোষণা করেন, ‘I am the state, what I say is law.’ অর্থাৎ আমি রাষ্ট্র, আমি যা বলি তা-ই আইন। এ ঘোষণার কয়েক বছরের মাথায় ষোড়শ লুই’র রাজত্বকালে বাস্তিল দুর্গের পতনের মধ্য দিয়ে ফরাসি বিপ্লব সংঘটিত হয়। রাজা ষোড়শ লুই এবং রানি মেরি আতোয়িকে গিলোটিনে চড়িয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। ওই দেশের বীর জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে সেখানে রাজতন্ত্রের অবসান হয়। মানুষ মুক্তির স্বাদ গ্রহণ করে। ফ্রাঙ্কো ও মার্কোসের মতো অনেক স্বৈরশাসকের করুণ পরিণতির কথা ইতিহাসে লিপিবদ্ধ আছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও