বাধ্যতামূলক অবসর, বহিষ্কার, অব্যাহতি কি ক্ষমতা টেকানোর টেকসই কৌশল?
বর্তমানে দেশে প্রতিদিনকার খবরের একটা বড় অংশ জুড়ে থাকছে বিভিন্নজনকে বাধ্যতামূলক অবসর, অব্যাহতি এবং নানারকম শাস্তিমূলক ব্যবস্থার খবর। কয়েক মাস ধরে এই প্রক্রিয়া সচিবালয় ও পুলিশসহ নানা সংস্থায় চলমান থাকলেও এখন তার আছর পড়েছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে। কিছুদিন আগে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তবে সেখানে বহিষ্কারের মতো বিষয় ঘটেনি, যেমনটা ঘটেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে।
সর্বশেষ সিন্ডিকেটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষককে অস্থায়ীভাবে বহিষ্কার এবং অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এবং সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সাদেকা হালিমসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষককে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া চার শিক্ষককে একাডেমিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে বিরত রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এই ধরনের সিদ্ধান্তের কারণ হিসেবে শ্রেণিকক্ষ ও শ্রেণিকক্ষের বাইরে অশিক্ষকসুলভ আচরণ এবং নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধকে হাজির করা হয়েছে। যদিও শ্রেণিকক্ষ ও শ্রেণিকক্ষের বাইরে অশিক্ষকসুলভ আচরণ ও নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধের ধরন, প্রকৃতি এবং কীভাবে সেটি ৭৩- এর অধ্যাদেশের নিয়ম অনুযায়ী ‘চাকুরিচ্যুতি’ বা বহিষ্কারের আওতায় পড়ল, তা প্রকাশ্যে আনা হয়নি।
- ট্যাগ:
- মতামত
- বাধ্যতামূলক অবসর