ইতিহাস যেন ভুলে না যাই

দেশ রূপান্তর মোহাম্মদ আল-আমীন প্রকাশিত: ০২ আগস্ট ২০২৬, ১১:০৬

২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম দিন থেকে ঢাকার মতো সরব ছিল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। শিক্ষার্থীদের আন্দোলন সমগ্র চট্টগ্রামে স্ফুলিঙ্গের মতো ছড়ায়। পুলিশের বুলেট, ক্ষমতাসীন ছাত্র সংগঠনের হামলা দমাতে পারেনি হাজার হাজার শিক্ষার্থীকে। বিশ্ববিদ্যালয় শহীদ মিনারে ১ জুলাই গুটিকয়েক শিক্ষার্থীর প্রতিবাদ, জুলাই-আগস্ট ২০২৪-এর চূড়ান্ত মুহূর্তে লাখ-জনতার প্রতিবাদে রূপ নেয়। আন্দোলনকারীরা প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে অবস্থান নিলেও, সময়ের প্রয়োজনে চট্টগ্রাম ছাড়িয়ে রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও কক্সবাজারের প্রতি সড়কে স্থানান্তর হয়। শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ায় সাধারণ জনগণ। শুরু হয় তীব্র প্রতিরোধ। সড়ক-রেলপথ অবরোধে শুরু হয় স্বৈরাচার পতনের চূড়ান্ত ধাপ।  গণঅভ্যুত্থানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দুজন শিক্ষার্থী শহীদ হন। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী হৃদয় চন্দ্র তরুয়া ও মো. ফরহাদ হোসেন। হৃদয় চন্দ্র তরুয়ার বাড়ি পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলায়। বাবা রতন চন্দ্র তরুয়া একজন কাঠমিস্ত্রি। ১৮ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনে গিয়ে সে চট্টগ্রামের বহদ্দারহাটে গুলিবিদ্ধ হন। পরে ২৩ জুলাই চিকিৎসাধীন অবস্থায় শহীন হন। আর শহীদ ফরহাদ হোসেন ছিলেন দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। নিজ এলাকা মাগুরায় ৪ আগস্ট সরকার পতনের এক দফা আন্দোলনে গিয়ে শহীদ হন। পরিবারে চার ভাইবোনের মধ্যে, সবার ছোট ছিলেন ফরহাদ। এ ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষার্থী আহত হন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে জুলাই-২৪’র ১ জুন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলন গুটিকয়েকজন নিয়ে শুরু হলেও, সপ্তাহ না পেরুতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় সব শিক্ষার্থীর প্রাণের আন্দোলনে পরিণত হয়। ‘কোটা না মেধা, মেধা মেধা’, ‘সকল কোটা বাতিল হোক, যোগ্যতার ভিত্তিতে চাকরি হোক’ স্লোগানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার, একাডেমিক ভবন, জিরো পয়েন্টে প্রতিনিয়ত প্রতিবাদ জারি রাখেন শিক্ষার্থীরা।


৫ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্টে বড়সড় প্রতিবাদ করে তারা। বিশ্ববিদ্যালয় শহীদ মিনারে ৯ জুন বিক্ষোভ করে কোটাব্যবস্থা পুনর্বহালের প্রতিবাদে শত শত শিক্ষার্থী। ওই দিন দুপুর সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয় শহীদ মিনারের সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকে শিক্ষার্থীরা ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া কোটাব্যবস্থা পুনর্বহালের এ রায় বাতিল করা না হলে তারা কঠোর আন্দোলনে যাবে। একপর্যায়ে ১১ জুলাই  শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জের পর উত্তাল হয় চট্টগ্রাম। পরদিন ১২ জুলাই পুলিশি হামলার প্রতিবাদে, চট্টগ্রামে হাজারো শিক্ষার্থীর মিছিলে অচল হয় বন্দরনগরীর রাজপথ। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছাড়াও শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে চট্টগ্রাম কলেজ, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ শহরের বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সরব অংশ করে। ১২ জুলাই আন্দোলনে প্রায় ১০ হাজার ছাত্র-জনতা অংশ নেন। 

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও