বাংলাদেশের অভ্যুত্থান কেন শ্রীলঙ্কা, নেপাল ও ভারত থেকে আলাদা

প্রথম আলো সহুল আহমদ প্রকাশিত: ৩০ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৭

ভারতের সাম্প্রতিক ‘তেলাপোকা’দের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে গত চার বছরের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার চারটি দেশ বড় ধরনের সরকারবিরোধী আন্দোলন ও অভ্যুত্থানের সাক্ষী হলো। এর মধ্যে শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ ও নেপালের আন্দোলন সরাসরি সরকারের পতন ঘটিয়েছে। ভারতে সে তুলনায় কেবল শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের মধ্য দিয়েই আন্দোলনের ইতি ঘটেছে। 


প্রতিবাদের অভিনব ভাষা ও কৌশলের কারণে ‘জেন-জি’ বর্গ বিশেষ আলোচনায় এসেছে সত্য, তবে এই আলোচনা আদতে নতুন প্রজন্মের প্রতি স্বাভাবিক উচ্চাশার বহিঃপ্রকাশ বলেও চিহ্নিত করা যায়। নতুন প্রজন্মের প্রতি রবি ঠাকুরের বাক্যটাই ইয়াদ করা যেতে পারে, ‘ওরে নবীন, ওরে আমার কাঁচা,/ ওরে সবুজ, ওরে অবুঝ, আধমরাদের ঘা মেরে তুই বাঁচা।’ জেন-জি বর্গের প্রতি সমাজের উচ্চাশার ধরনও এমন! 


সমসাময়িক বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে যেভাবে আন্দোলন-সংগ্রাম সংঘটিত হচ্ছে, দক্ষিণ এশিয়ার এই চার ঘটনাও সমরূপী। স্থানিক ভিন্নতা সত্ত্বেও সংগঠিত হওয়ার ধরন, কৌশল এবং ভাষা প্রকাশের মাধ্যম বিবেচনায় এগুলো নতুন জামানার আন্দোলনের যাবতীয় বৈশিষ্ট্য ধারণ করছে।


২০০৬-২০ পর্যন্ত পৃথিবীর বিভিন্ন অংশে সংঘটিত আন্দোলনের এক জরিপ অনুযায়ী, এ সময়ের আন্দোলনের দাবিদাওয়াগুলোকে মোটাদাগে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। প্রথমত রয়েছে রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের ব্যর্থতা। এশিয়া, আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ ও লাতিন আমেরিকার জনগণ মনে করছে, বিদ্যমান ব্যবস্থা তাদের ধারণ করতে পারছে না। ফলে গণতান্ত্রিক পশ্চাৎ–যাত্রার বৈশ্বিক প্রবণতার প্রতিক্রিয়ায় একধরনের ‘রিয়েল’ বা আসল গণতন্ত্রের দাবি এ সময়ের অধিকাংশ আন্দোলনের মুখ্য দাবিতে পরিণত হয়।


দ্বিতীয় ইস্যু হচ্ছে অর্থনৈতিক ন্যায়বিচারের প্রশ্ন। নয়া উদারনীতিবাদী নীতি গ্রহণের ফলে যেভাবে অর্থনীতিকে সংকুচিত করা হয়েছে, এর ফলে বৈষম্য যেমন বেড়েছে, তেমনি বেড়েছে বেকারত্বও। অর্থনৈতিক প্রশ্নটিও তাই ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিল। তৃতীয় গুরুতর বিষয় ছিল নাগরিক অধিকার। বিভিন্ন রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে নানাভাবে নাগরিক অধিকারসহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের ব্যাপক অভিযোগ ছিল।


জনগণের মাঠে নেমে আসার পেছনে এই দাবি বড় ভূমিকা পালন করেছিল। চতুর্থ বিষয়টি হচ্ছে গ্লোবাল জাস্টিস বা বৈশ্বিক ইনসাফের ধারণা। সাধারণত জলবায়ু পরিবর্তন ও বিশ্বায়ন ছিল ইউরোপ ও লাতিন আমেরিকার বিভিন্ন দেশের আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও