You have reached your daily news limit

Please log in to continue


অ্যান্ড্রয়েড ছেড়ে আইফোন? যেসব অসুবিধা হতে পারে

মসৃণ পারফরম্যান্স, হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের চমৎকার মেলবন্ধন ও প্রিমিয়াম বিল্ড কোয়ালিটির কারণে অনেক অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীই আইফোনের দিকে ঝুঁকছেন।

অ্যান্ড্রয়েড ছেড়ে আইওএসে আসার বিষয়টি একেবারেই স্বাভাবিক। তবে অ্যান্ড্রয়েডে ব্যবহার করে আসা বেশ কিছু অভ্যাস ও কাজের ধারা আইফোনে বদলে যাবে।

প্রযুক্তি সংবাদের সাইট এনগ্যাজেট প্রতিবেদনে লিখেছে, আইফোন খারাপ বলে এমনটা নয়, বরং দুটি প্ল্যাটফর্মের কাজের ধরন সম্পূর্ণ আলাদা বলেই এ ভিন্নতা।

ফলে অ্যান্ড্রয়েড থেকে আইওএসে রূপান্তরের প্রথম দিনেই যাতে অপ্রীতিকর কোনো বিস্ময়ের মুখে পড়তে না হয় সে জন্য কিছু মৌলিক পার্থক্য জেনে রাখা জরুরি–

নোটিফিকেশন ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা

অ্যান্ড্রয়েড ছেড়ে আইফোনে এলে সবচেয়ে বড় বিরক্তির জায়গা হচ্ছে নোটিফিকেশনের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলা।

আইফোনে লক স্ক্রিন থেকে সরাসরি কোনো মেসেজকে ‘রিড’ বা পঠিত হিসেবে চিহ্নিত করা বা কুইক রিপ্লাই পাঠানোর সুবিধা পাওয়া যায় না। মেসেজ দেখেছেন বোঝাতে সংক্ষেপে ‘লাইক’ দেওয়ার সুযোগও নেই।

এ ছাড়া অ্যান্ড্রয়েডে অ্যাপ ভেদে ক্যাটেগরিভিত্তিক নোটিফিকেশন নিয়ন্ত্রণের সুবিধা রয়েছে, যেমন কোনো ই-কমার্স অ্যাপ থেকে কেবল ডেলিভারির খবর নেওয়া ও বিজ্ঞাপনী মেসেজ বন্ধ রাখার অপশন থাকে।

নেভিগেশন ও টাইপিং অভিজ্ঞতায় পরিবর্তন

অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে স্ক্রিনের ডান বা বাম যে কোনো পাশ থেকে সোয়াইপ করলেই পেছনে বা ‘ব্যাক’ অপশনে যাওয়া যায়, যা সব অ্যাপে একইভাবে কাজ করায় সহজেই হাতের অভ্যাসে পরিণত হয়।

আইওএসেও বাম পাশ থেকে সোয়াইপ করার সুবিধা থাকলেও সব অ্যাপে তা সমর্থন করে না। কিছু অ্যাপের ক্ষেত্রে পেছনে যাওয়ার জন্য একদম উপরে বাম বা ডান কোণে থাকা ছোট বোতামে স্পর্শ করতে হয়। বড় স্ক্রিনের ফোনে এক হাতে যা বেশ কষ্টসাধ্য।

টাইপিং অভিজ্ঞতায় ভিন্নতা

অ্যান্ড্রয়েড থেকে এসে আইওএসের কিবোর্ডে মানিয়ে নেওয়া অনেকের জন্যই কিছুটা বিরক্তির কারণ হয়।

এর ‘অটো-কারেক্ট’ সুবিধা মাঝেমধ্যে বাড়াবাড়ি করছে বলে মনে হতে পারে ও শব্দ অনুমানের সক্ষমতাও তুলনামূলক কম মনে হতে পারে। আইফোনে ‘জিবোর্ড’ বা ‘সুইফটকি’র মতো থার্ড-পার্টি কিবোর্ড ব্যবহারের সুযোগ থাকলেও অ্যাপল এগুলোর সিস্টেমে প্রবেশাধিকার সীমিত রাখে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন