৫০ পার হলেও যে ৫টি নিয়ম মেনে তারুণ্য ধরে রাখবেন

প্রথম আলো প্রকাশিত: ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩:০৫

সন্তান ধারণ এবং পালন, সংসার এবং কর্মজীবনের ভারসাম্য—এই সবকিছুরই প্রভাব পড়ে শরীর ও মনে। এ কারণে ৪০–এর পর থেকেই যত্ন নেওয়ার বিষয়টি অনেকটাই আবশ্যক হয়ে ওঠে নারীদের জন্য।কুড়িতেই বুড়ি—এই প্রবাদ তো অনেক পুরোনো। আর পঞ্চাশে পড়লে মনে করা হতো, বুড়ো হয়ে গেলাম। তবে এখন ৫০–এ পা দিয়েও অনেকে কর্মচঞ্চল, আত্মবিশ্বাসী ও তারুণ্যে ভরপুর জীবন যাপন করছেন।


স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত শরীরচর্চা, মানসিক প্রশান্তি এবং দৈনন্দিন কিছু সচেতন অভ্যাস বার্ধক্যকে দূরে রাখতে সাহায্য করে। ৫০–এর পরও জীবনটাকে কাজে–কর্মে উপভোগ করে যাচ্ছেন, এমন মানুষেরা জানালেন সহজ কিছু নিয়ম। প্রতিদিন মেনে চললে এ বয়সেও থাকা যায় সুস্থ, সতেজ ও প্রাণবন্ত।


মন ভালো তো সব ভালো


ডিজাইনার হুমায়রা খান, এ বয়সেও বেশ তরুণ। তিনি জানান, এ জন্য নিজের মনকে শক্ত করা জরুরি। এ বয়সে নানা রকম শারীরিক প্রতিবন্ধকতা আসাটাই স্বাভাবিক। তবে সেটা ধরে বসে থাকা যাবে না। সেটাকে মেনে নিয়েই ইতিবাচক জীবন যাপন করতে হবে। নিজেকে সুস্থ ও সুন্দর রাখতে সবচেয়ে জরুরি স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস।


দরকার বন্ধু


রূপবিশেষজ্ঞ রাহিমা সুলতানার মতে, জীবনের এ পর্যায়ে এসে বন্ধুত্বের গুরুত্ব আরও বেড়ে যায়। বিশেষ করে মধ্যবয়স বা তার পরের সময়ে যখন সন্তানেরা ধীরে ধীরে বড় হয়ে নিজেদের পড়াশোনা, কর্মজীবন কিংবা সংসার নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েন, তখন বাবা-মায়ের দৈনন্দিন দায়িত্ব অনেকটাই কমে আসে। এই পরিবর্তনের সঙ্গে অনেকেই একাকিত্ব, মানসিক চাপ বা শূন্যতা বোধ করেন।


অল্প যত্নেই ভালো থাকবে ত্বক


মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন তো নিতেই হবে, পাশাপাশি এ সময় বাহ্যিক যত্ন নেওয়াটাও খুব গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন রাহিমা সুলতানা। ত্বকের যত্নে এ বয়সে ক্যাস্টর অয়েল বেশ কাজে দেবে। যেকোনো তেলের সঙ্গে ক্যাস্টর অয়েল মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। এই তেল ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়া রোধ করে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও