You have reached your daily news limit

Please log in to continue


ঘামরোধী প্রসাধনী ব্যবহারের পরও যে কারণে ঘাম কমে না

গরমে শরীর ঘেমে যাওয়া এবং ঘামের দুর্গন্ধ পরিচিত অস্বস্তিকর সমস্যা।

এই সমস্যা থেকে বাঁচতে প্রতিদিন সকালে বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগে কিংবা গোসল শেষ করেই বগলে রোল-অন বা ‘অ্যান্টিপারস্পিরেন্ট’ ব্যবহার করা অনেকেরই নিয়মিত রুটিন। তবে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিনের এই অতি পরিচিত অভ্যাসটি আসলে শতভাগ ভুল।

ভুল সময়ে ব্যবহারের কারণে দামি এবং ‘ক্লিনিক্যাল স্ট্রেন্থের’ পণ্য ব্যবহার করার পরও বাহুমূল ভেজা থাকে এবং শরীরে দুর্গন্ধ তৈরি হয়।

সাধারণ ডিওডোরেন্ট বনাম অ্যান্টিপারস্পিরেন্ট: তফাত কী?

নিউ অরলিন্সের স্যানোভা ডার্মাটোলজির বোর্ড-প্রত্যয়িত চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মামিনা তুরেগানো, সেল্ফ ডটকমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলেন, “সাধারণ সুগন্ধি বা ডিওডোরেন্ট কেবল ঘামের দুর্গন্ধকে আড়াল করে, তবে ঘাম হওয়া থামাতে পারে না। অন্যদিকে, অ্যান্টিপারস্পিরেন্টে অ্যালুমিনিয়াম-ভিত্তিক উপাদান থাকে, যা সাময়িকভাবে ত্বকের ঘাম গ্রন্থি বা ‘সোয়েট গ্ল্যান্ড’গুলোর মুখ বন্ধ করে দেয়। ফলে প্রাকৃতিকভাবেই ঘাম হওয়া বন্ধ হয়।”

ব্যবহারের আসল সময় কখন?

বোস্টনের চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. উচেনা ওকেরেকে একই প্রতিবেদনে বলেন, "অ্যান্টিপারস্পিরেন্ট ব্যবহারের সেরা এবং সঠিক সময় হল রাতে ঘুমানোর ঠিক আগে।"

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন