কওমি ধারার দলগুলোকে নিয়ে হেফাজত কী চায়, তাতে জামায়াতের কী সন্দেহ

প্রথম আলো প্রকাশিত: ২৬ জুলাই ২০২৬, ১৬:৫০

জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় ঐক্যের ভবিষ্যৎ নিয়ে দেখা দিয়েছে সংশয়। জোটের শরিক খেলাফত মজলিস ১১–দলীয় ঐক্যের কর্মসূচিতে আর অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগে একই সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন। একই সময়ে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের উদ্যোগে কওমি ধারার সাতটি দলকে নিয়ে নতুন জোটের উদ্যোগ নেওয়ায় রাজনৈতিক অঙ্গনে তা নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা।


তবে সংশ্লিষ্ট দলগুলোর নেতারা বলছেন, এখনই ১১–দলীয় ঐক্য ভেঙে যাচ্ছে বা নতুন কোনো রাজনৈতিক জোট হচ্ছে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই। অন্যদিকে জামায়াতও দাবি করছে, খেলাফত মজলিস ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন কর্মসূচিতে অংশ না নিলেও জোটে রয়েছে।


১১–দলীয় ঐক্যে মাওলানা আবদুল বাছিত আজাদ ও আহমদ আবদুল কাদেরের নেতৃত্বাধীন খেলাফত মজলিসের অসন্তোষ নতুন নয়। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আসন সমঝোতা ও সংরক্ষিত নারী আসনে প্রত্যাশিত ছাড় না পাওয়ায় দলটির মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়।


তাদের অভিযোগ, জোটে মাওলানা মামুনুল হকের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জামায়াত এককভাবে অংশ নিতে পারে—এমন ধারণাও তাদের অসন্তোষ বাড়িয়েছে।


খেলাফত মজলিস চায়, স্থানীয় নির্বাচনেও জোটগত সমন্বয় থাকুক। এই প্রেক্ষাপটে গতকাল কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ অধিবেশনে দলটি ১১–দলীয় ঐক্যের কর্মসূচি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়। তবে ভবিষ্যতে দেশ, জাতি ও ইসলামের জন্য প্রয়োজন হলে বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলেও জানায় দলটি।


খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির আহমাদ আলী কাসেমী প্রথম আলোকে বলেন, খেলাফত মজলিস এখন থেকে এককভাবে কর্মসূচি দেবে। এসব কর্মসূচিতে অন্য দলের কেউ এসে বক্তব্য দিতে পারবেন, খেলাফতের নেতারাও চাইলে অন্য দলের কর্মসূচিতে যেতে পারবেন।


হেফাজতে ইসলামের উদ্যোগে ৭–দলীয় ঐক্যের বিষয়ে জানতে চাইলে খেলাফত মজলিসের এই নেতা বলেন, এখনো ঐক্য প্রক্রিয়া চূড়ান্ত নয় এবং সামনে কী হবে, তা এখনই বলা যাচ্ছে না।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও