বিশ্বকাপের পর সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে যাঁদের

প্রথম আলো প্রকাশিত: ২৫ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৫

বিশ্বকাপ শেষ হয়েছে, কিন্তু এর রেশ এখনো কাটেনি। শিরোপা জিতেছে স্পেন, গোল্ডেন বুট গেছে কিলিয়ান এমবাপ্পের হাতে। তবে টুর্নামেন্ট শেষে সবচেয়ে বড় হাসিটা হয়তো ফুটবলারদের বাজারমূল্যই হাসছে। তরুণ প্রতিভা, প্রতিষ্ঠিত তারকা কিংবা নতুন উদীয়মান মুখ—অনেকেরই প্রাইস–ট্যাগ বেড়েছে বিশ্বকাপের পারফরম্যান্সে। ট্রান্সফারমার্কেটের সর্বশেষ হালনাগাদে এমনই ১০ ফুটবলারের গল্প।


১. এলিয়ট অ্যান্ডারসন (ইংল্যান্ড)


বাজারমূল্য: ৭.৫ কোটি ইউরো থেকে ১১ কোটি (৩.৫ কোটি বৃদ্ধি)


লামিনে ইয়ামাল, কিলিয়ান এমবাপ্পে বা জুড বেলিংহাম নন, সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে এলিয়ট অ্যান্ডারসনের। টুর্নামেন্টে জুড বেলিংহামের পাশে অ্যান্ডারসনের উপস্থিতি ইংল্যান্ডের মিডফিল্ডকে ভারসাম্য দিয়েছে।


২. জুড বেলিংহাম (ইংল্যান্ড)


বাজারমূল্য: ১২ কোটি ইউরো থেকে ১৫ কোটি (৩ কোটি বৃদ্ধি)


বিশ্বের সবচেয়ে দামি মিডফিল্ডারদের একজন ছিলেন আগেই। বিশ্বকাপের পারফরম্যান্সে সেই অবস্থান আরও শক্ত করলেন বেলিংহাম।


৩. আইয়ুব বুয়াদ্দি (মরক্কো)


বাজারমূল্য: ৬ কোটি ইউরো থেকে ৯ কোটি (৩ কোটি বৃদ্ধি)


১৮ বছর বয়সেই মরক্কোর মাঝমাঠের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেওয়া সহজ কাজ নয়। আইয়ুব বুয়াদ্দি সেটাই করেছেন। ক্লাব ফুটবলে লিলের হয়ে খেলা এই মিডফিল্ডার বিশ্বকাপে মরক্কোর অন্যতম সেরা পারফরমার।


৪. আর্লিং হলান্ড (নরওয়ে)


বাজারমূল্য: ২০ কোটি ইউরো থেকে ২২ কোটি (২ কোটি বৃদ্ধি)


নরওয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের কাছে বিদায় নিলেও হলান্ড ছিলেন দলের সবচেয়ে বড় ভরসা। করেছেন ৭ গোল।


৫. লামিনে ইয়ামাল (স্পেন)


বাজারমূল্য: ২০ কোটি ইউরো থেকে ২২ কোটি (২ কোটি বৃদ্ধি)


চোটের কারণে বিশ্বকাপের শুরুর দিকে খুব বেশি সময় খেলতে পারেননি। তবে যখনই সুযোগ পেয়েছেন, খারাপ করেননি। গোল হয়তো মাত্র একটি, কিন্তু প্রতিপক্ষের রক্ষণে সব সময়ই বড় আতঙ্ক হয়েছিলেন লামিনে ইয়ামাল।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও