প্রধানমন্ত্রীর নৈশভোজ: শরিকদের প্রত্যাশা মেটানো চ্যালেঞ্জ হবে বিএনপির

www.ajkerpatrika.com প্রকাশিত: ২২ জুলাই ২০২৬, ১১:৩৮

আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে পাশে থাকা মিত্র দলগুলোর ক্ষোভ ও দূরত্ব ঘোচাতে নেতাদের নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে দলগুলোর নেতারা তাঁদের ক্ষোভের পাশাপাশি প্রত্যাশার কথাও তুলে ধরেছেন ক্ষমতাসীন দলের প্রধানের কাছে। জানিয়েছেন সরকারের অংশীদার হওয়ার দাবি। প্রধানমন্ত্রী সেগুলো ধৈর্যসহকারে শুনেছেন, আশ্বাসও দিয়েছেন। কিন্তু মিত্রদের এই বাড়তি প্রত্যাশা সামলানো এবং জোটের মূল শক্তিগুলোর যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করা প্রধানমন্ত্রীর জন্য বেশ কঠিন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হতে পারে।


ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় গত সোমবার রাতে হয়েছে ওই নৈশভোজ এবং আলোচনা। এই আয়োজনে ৪১টি শরিক দল ও জোটের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।


নৈশভোজে অংশ নেওয়া একাধিক দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, টানা আন্দোলন-সংগ্রামের পর ক্ষমতার সমীকরণে গিয়ে শরিকদের যথাযথ মূল্যায়ন না হওয়া নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে কিছুটা অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল। যমুনার ওই আয়োজনে নেতারা খোলামেলাভাবেই নিজেদের অবহেলার কথা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন।


শরিকদের অভিযোগ, দুর্দিনের সঙ্গীদের সরিয়ে রেখে বিএনপির মধ্যে একাকী পথচলার একটি প্রবণতা দেখা যাচ্ছিল, যা রাজনীতিতে ভুল বার্তা দিচ্ছিল। তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শরিকদের বক্তব্য ধৈর্যসহকারে শোনেন এবং পর্যায়ক্রমে সবাইকে প্রাপ্য মূল্যায়নের প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি স্পষ্ট করেন, সরকার ফ্যাসিবাদবিরোধী সব রাজনৈতিক শক্তিকে সঙ্গে নিয়েই এগোতে চায়। এ লক্ষ্যে এখন থেকে প্রতি দুই মাস পর শরিক দলগুলোর শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে সমন্বয় সভা করার বিষয়ে ইতিবাচক আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও