লটারি বাদ দিয়ে ফের ভর্তি পরীক্ষা: শিশুদের ওপর চাপ, কোচিংমুখী অভিভাবকরা

ডেইলি স্টার প্রকাশিত: ২১ জুলাই ২০২৬, ১০:৫১

আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রথম শ্রেণিতে আবারও লিখিত ভর্তি পরীক্ষা চালু করা হবে। সরকারের এই পদক্ষেপে অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। সন্তানকে পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত করতে অনেকেই এখন কোচিং সেন্টার ও গৃহশিক্ষকদের (প্রাইভেট টিউটর) দ্বারস্থ হচ্ছেন।


সরকারি স্কুলে লটারিভিত্তিক ভর্তি পদ্ধতির পরিবর্তে লিখিত পরীক্ষা চালু হতে যাচ্ছে। অভিভাবকদের উদ্বেগ দূর করতে গত মাসে শিক্ষামন্ত্রী আ স ম এহছানুল হক মিলন জানান, ছোট শিশুদের ভর্তি প্রক্রিয়াটি সহজ হবে এবং এতে কোচিং বা প্রাইভেট পড়াকে উৎসাহিত করা হবে না।


তবে রাজধানীর বেশ কয়েকটি কোচিং সেন্টার ঘুরে দেখা গেছে, তারা ইতোমধ্যেই প্রথম শ্রেণির ভর্তিচ্ছুদের জন্য বিশেষ কোর্স ও নির্দিষ্ট স্কুলভিত্তিক গাইডলাইন দেওয়া শুরু করেছে।


অভিভাবক ও শিক্ষাবিদরা বলছেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে স্কুলজীবন শুরুর আগেই শিশুদের তীব্র প্রতিযোগিতার মুখে ঠেলে দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মোহাম্মদ মজিবুর রহমান বলেন, স্কুলে ভর্তির জন্য শিশুদের পরীক্ষা দেওয়া উচিত নয়। এটা তাদের আর তাদের পরিবারের প্রতি অন্যায্য। তিনি সতর্ক করে বলেন, এ ধরনের চাপ শিশুদের ভবিষ্যৎ শেখার প্রক্রিয়ায় বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে।


কোচিং সেন্টারের ওপর নির্ভরতা কমাতে এবং ভর্তি প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ দূর করতে ২০১১ সালে সরকারি স্কুলে প্রথম শ্রেণিতে লটারিভিত্তিক ভর্তি প্রথা চালু করা হয়েছিল। চলতি বছরের ১৬ মার্চ শিক্ষামন্ত্রী ঘোষণা করেন যে আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে এই লটারি পদ্ধতি বন্ধ হয়ে যাবে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও