You have reached your daily news limit

Please log in to continue


সহজ ম্যাচে নাটক জমিয়ে সিরিজ জয় বাংলাদেশের

বাংলাদেশ তখন সহজ জয়ের পথে। পাঁচ বলে প্রয়োজন চার রান। কিন্তু ব্র্যাড ইভান্সের ফুল টসে বোল্ড হয়ে গেলেন মোসাদ্দেক হোসেন। নতুন ব্যাটসম্যান মোহাম্ম সাইফ উদ্দিমের খায়েশ হলো ছক্কায় ম্যাচ শেষ করার। প্রথম বলেই উড়িয়ে মেরে তিনিও আউট। ধারাভাষ্যকক্ষে এড রাইন্সফোর্ডেরে চিৎকার, “ইজ দেয়ার আ টুইস্ট ইন দা টেইল?” হ্যাটট্রিক ডেলিভারিতে ফুল টস বল সোজা গিয়ে লাগল শেখ মেহেদি হাসানের প্যাডে। নিশ্চিত এলবিডব্লিউ!

কিন্তু আম্পায়ার সঙ্কেত দিলের ডেড বলের। কারণ কোনো এক ফিল্ডার মুভ করছিলেন! বড় বাঁচা বেঁচে গেল বাংলাদেশ। পরের বলটিও ফুল টস পেয়ে এক্সট্রা কাভার দিয়ে চার মেরে গর্জন করলেন মেহেদি। পরে তো বোলার ইভান্সের সঙ্গে বেশ এক চোট উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়ে গেল তার! যে ম্যাচ ছিল একদমই নিস্তরঙ্গ, বাংলাদেশ ছিল অনায়াস জয়ের পথে, সেটিই শেষ সময়ে সেটিতে নাভিশ্বাস উঠে গেল বাংলাদেশের। মেহেদির ওই গর্জনে মিশে ছিল মূলত বড় এক পাথর নেমে যাওয়ার স্বস্তি।

তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষটিতে বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত জিততে পারল ৪ উইকেটে। পিছিয়ে পড়েও সিরিজ জিতে নিল তারা ২-১ ব্যবধানে।

আগের সিরিজে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হোয়াইটওয়াশড হওয়ার পর ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয়ের নেতৃত্বে প্রথম সিরিজ জয় এটি।

বাংলাদেশের জয়ের ভিত গড়া হয়ে যায় ম্যাচের প্রথম ভাগে। এক পর্যায়ে মনে হচ্ছিল, ১৬০-১৭০ রান করবে জিম্বাবুয়ে। কিন্তু শেষ দিকে দুর্দান্ত বোলিং ও ফিল্ডিংয়ে তাদেরকে ১৪৩ রানেই আটকে রাখে বাংলাদেশ।

ওপেনিংয়ে ব্রায়ান ব্রেনেট করেন ৪৭, তিনে নেমে ডিওন মায়ার্স ৭৩। দলের বাকি সাত ব্যাটসম্যান আর অতিরিক্তি মিলিয়ে রান আসে ২৩!

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন