যে বলিউড অভিনেত্রীরা প্লাস্টিক সার্জারিকে ‘না’ বলেছেন
চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রিতে শারীরিক সৌন্দর্য অন্যতম প্রধান যোগ্য়তা। বলিউড তারকাদের ওপর সৌন্দর্যের এই মানদণ্ডের বড় চাপও রয়েছে। অনেকে এই চাপের কাছে নতি স্বীকার করে নিজেদের স্বাভাবিক চেহারায় পরিবর্তন আনার জন্য কসমেটিক সার্জারির পথ বেছে নেন। তবে কয়েকজন অভিনেত্রী সাহসিকতার সঙ্গে নিজেদের অবস্থানে অটল থেকেছেন। এখনো আছেন।
অনেক অভিনেত্রী রয়েছেন, যাঁরা ইন্ডাস্ট্রির চাপ থাকা সত্ত্বেও প্লাস্টিক সার্জারি করাতে অস্বীকৃতি জানিয়ে নিজেদের খাঁটি সত্তাকে গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। জেনে নিন তাঁদের সম্পর্কে—
আলিয়া ভাট
আলিয়া ভাট মা হওয়ার পর অনেক ওজন কমিয়েছেন। তাঁকে প্রায়শই তাঁর বাঁকা হাসির জন্য ট্রল করা হয়। নিন্দুকেরা এতটাই চরম পর্যায়ে চলে গিয়েছিল যে তিনি তাঁর ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে একটি দীর্ঘ নোট শেয়ার করেন এবং ট্রোল ও সমালোচকদের তীব্র নিন্দা করেন। তিনি বলেন, ‘কে কী বলছে জানি না। কিন্তু আমি কোনো কসমেটিক সার্জারি করাইনি।’
সোনম কাপুর
বলিউডের ফ্যাশনিস্তা সোনম কাপুর শুধু তাঁর অসাধারণ স্টাইলের জন্যই নন, বরং তাঁর নিখুঁত চেহারার জন্যও প্রশংসিত। যদিও এমন খবর ছিল যে তিনি কসমেটিক সার্জারি করিয়েছেন, অভিনেত্রী তাঁর ‘মোটা থেকে ফিট’ হওয়ার যাত্রা ছাড়া আর কোনো বিষয়ে শারীরিক পরিবর্তন করেননি বলেই জানা যায়।
সোনাক্ষী সিনহা
বলিউড অভিনেত্রী সোনাক্ষী সিনহা গর্বের সঙ্গে তাঁর স্বাভাবিক রূপান্তরের যাত্রার কথা প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, কোনো প্লাস্টিক সার্জারির সাহায্য না নিয়ে শুধু নিজের নিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি ৩০ কেজি ওজন কমিয়েছেন এবং ফিট হয়েছেন।
শ্রদ্ধা কাপুর
শ্রদ্ধা কাপুরের অসাধারণ সৌন্দর্য সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক; কারণ, তিনি কখনো কোনো কসমেটিক সার্জারি বা ইনজেকশন নেননি। এই অভিনেত্রী নিখুঁত মুখাবয়ব এবং এক মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের অধিকারী, যা তাকে বলিউডে অন্যদের থেকে আলাদা করে তুলেছে।
রাধিকা আপ্তে
চাইলে গায়ের রং পরিবর্তন করতে পারতেন, চোখ, ঠোঁট, নাক—সবই পাল্টাতে পারতেন; কিন্তু করেননি। রাধিকা বলেন, ‘তুমি যা-ই করো না কেন; যত দিন যাবে, ততই বয়স বাড়বে। আর একদিন তুমি ঠিকই মারা যাবে।’