You have reached your daily news limit

Please log in to continue


এই শ্রাবণে ঘুরে আসুন টাঙ্গুয়ার হাওর

১৪ আষাঢ়, রোববার। বিকেল থেকেই ঝিরিঝিরি বৃষ্টির ফাঁকে ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস। আমরা তখন ঢাকার ব্যস্ত রাস্তায় হেঁটে নয়, গাড়িতে। গাড়ির ভেতর বাজছিল আষাঢ়ের গান, ‘চলো কোথাও যাই, এই ঝড়-বর্ষায়...’। মুহূর্তেই মনে হলো, শহরের কোলাহল ছেড়ে প্রকৃতির কাছে না গেলে যেন আষাঢ় সত্যিকার অর্থে অনুভব করা হবে না।

সঙ্গে থাকা লোকজনকে বললাম, বর্ষার টাঙ্গুয়ার হাওরই আমাদের প্রকৃতির সবচেয়ে নির্মল রূপ দেখাতে পারবে। কথায় কথায় সিদ্ধান্ত হলো, সব কাজ ছেড়ে গন্তব্য টাঙ্গুয়ার হাওর। সেদিন রাতেই বিলাসবহুল হাউসবোট ‘ক্যানভাসে’ দুটি কক্ষ বুক করে পরদিন সকালে সুনামগঞ্জের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করলাম।

আগের রাত কাটালাম সুনামগঞ্জ শহরের একটি হোটেলে। ১৬ আষাঢ় সকালে তাহিরপুর উপজেলার আনোয়ার ঘাটে পৌঁছাতেই চোখে পড়ল সারি সারি কাঠ ও স্টিলের হাউসবোট। প্রতিটি যেন অতিথিদের স্বাগত জানানোর অপেক্ষায় উদ্‌গ্রীব হয়ে আছে।

আমাদের নির্ধারিত হাউসবোটে উঠেই মনে হলো ক্রুজে উঠেছি! পরিপাটি কক্ষ, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা আর আন্তরিক আতিথেয়তা মুগ্ধ করল। সকালের নাশতা শেষ করে হাউসবোট যখন হাওরের বুকে এগোতে শুরু করল, তখন একে একে অসংখ্য নৌযানও পাড়ি জমাচ্ছিল একই গন্তব্যে।

তবে যাত্রার শুরুতেই ছোট্ট একটি বিপত্তি। হাউসবোটটি একটি চরে আটকে গেল। প্রায় দুই ঘণ্টার অপেক্ষা। কিন্তু হাসি, আড্ডা, ছবি আর গল্পে সেই সময়টুকুও আনন্দময় হয়ে উঠল।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন