You have reached your daily news limit

Please log in to continue


এইচএসসি পরীক্ষা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ : একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা

বাংলাদেশে উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষা শুধু একটি পাবলিক পরীক্ষা নয়; এটি বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন, অসংখ্য পরিবারের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা এবং দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান প্রবেশদ্বার। প্রতি বছর এই পরীক্ষাকে ঘিরে শিক্ষা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, স্থানীয় প্রশাসন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অভিভাবকরা একটি বিশাল জাতীয় আয়োজনের অংশ হয়ে ওঠেন। তাই এইচএসসি পরীক্ষাকে ঘিরে যে কোনো সিদ্ধান্ত শুধু পরীক্ষার্থীদের নয়, বরং পুরো শিক্ষাব্যবস্থার ওপর সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলে। এবারের এইচএসসি পরীক্ষাও সেই জাতীয় গুরুত্ব নিয়েই শুরু হয়েছে। তবে প্রথম দিন থেকেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যা ও জলাবদ্ধতার কারণে অনেক শিক্ষার্থীকে ভয়াবহ দুর্ভোগের মধ্য দিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছাতে হয়েছে। কোথাও কোমরসমান পানি পেরিয়ে, কোথাও নৌকায় চড়ে, আবার কোথাও দীর্ঘ পথ ঘুরে পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়েছে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত এসব দৃশ্য শুধু কয়েকজন শিক্ষার্থীর কষ্টের চিত্র নয়; বরং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থার একটি নতুন বাস্তবতার প্রতিফলন।

প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে জাতীয় পরীক্ষা পরিচালনা করা যে কোনো রাষ্ট্রের জন্যই খুবই কঠিন দায়িত্ব। বিভিন্ন দেশেও ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, দাবানল কিংবা চরম আবহাওয়ার কারণে জাতীয় বা আঞ্চলিক পরীক্ষা স্থগিত, পুনঃনির্ধারণ অথবা বিকল্প ব্যবস্থায় নেওয়ার নজির রয়েছে। তবে এসব সিদ্ধান্ত সাধারণত পূর্বপ্রস্তুত নীতিমালা, ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং শিক্ষার্থীদের সমান সুযোগ নিশ্চিত করার বিষয় বিবেচনায় করেই নেওয়া হয়। কারণ প্রশ্নটি শুধু পরীক্ষা নেওয়া বা না নেওয়ার নয়; বরং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা, মানবিক বাস্তবতা এবং শিক্ষাব্যবস্থার ধারাবাহিকতার মধ্যে সঠিক ভারসাম্য তৈরি করা।

বাংলাদেশও এখন সেই বাস্তবতার মুখোমুখি। তাই এবারের এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, সেটিকে শুধু একটি সাময়িক ঘটনা হিসাবে দেখলে ভুল হবে। এটি আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা, দুর্যোগ প্রস্তুতি এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে নতুন করে মূল্যায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। প্রশ্ন হলো-এমন একটি প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মধ্যে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত কতটা যৌক্তিক ছিল? এর উত্তর খুঁজতে হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত ও বাস্তব পরিস্থিতি-দুই দিকই বিবেচনা করতে হবে।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বন্যার কারণে রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়িসহ পুরো চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা আগেই স্থগিত করা হয়েছিল। অন্য বোর্ডগুলোর ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সরকার সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছে। ৬৪ জেলার পুলিশ সুপার, আটটি বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার, প্রতিটি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং আবহাওয়া অধিদপ্তরের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে পরিস্থিতি মূল্যায়ন করা হয়। সংশ্লিষ্টদের মতামত পরিস্থিতি অনুকূলে থাকার ইঙ্গিত দেওয়ার পরই পরীক্ষা যথাসময়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন