ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে নিয়মিত ছুটি নিন

জাগো নিউজ ২৪ প্রকাশিত: ১৫ জুলাই ২০২৬, ১৩:৩২

কাজে সফল হতে হলে দিন-রাত পরিশ্রম করতে হয়, এমন ধারণা এখনো অনেকের মধ্যে রয়েছে। অনেকেই মনে করেন, যত বেশি সময় অফিসে বা কাজে দেওয়া যাবে, তত দ্রুত সফল হওয়া সম্ভব। আবার অনেক কর্মী প্রয়োজন থাকা সত্ত্বেও ছুটি নিতে দ্বিধা করেন, কারণ অনেক প্রতিষ্ঠানেই ছুটি নেওয়াকে ভালো চোখে দেখা হয় না। অথচ চিকিৎসাবিজ্ঞান ও সাম্প্রতিক মনস্তাত্ত্বিক গবেষণা বলছে, কর্মক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি সাফল্য ধরে রাখতে শুধু কঠোর পরিশ্রম নয়, প্রয়োজন নিয়মিত বিরতি ও পরিকল্পিত ছুটি।


ক্রমাগত বিশ্রামহীনভাবে কাজ করলে একসময় শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি তৈরি হয়। এর ফলে মনোযোগ কমে যায়, ভুল বাড়ে এবং কাজের প্রতি আগ্রহও ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে পারে। অর্থাৎ নিজেকে অতিরিক্ত চাপে রাখা একজন কর্মীকে আরও দক্ষ করে তোলে না, বরং দীর্ঘমেয়াদে তার ক্যারিয়ারের ক্ষতিই করে।


বাড়ছে মানসিক চাপ


বর্তমানে করপোরেট সংস্কৃতিতে অতিরিক্ত কাজের চাপকে অনেক সময় স্বাভাবিক হিসেবে দেখানো হয়। ফলে বিশ্বজুড়ে বাড়ছে মানসিক চাপ, উদ্বেগ ও কর্মক্ষেত্রের ক্লান্তি।


২০২৪ সালে আমেরিকান সাইকিয়াট্রিক অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক মানসিক স্বাস্থ্য জরিপে দেখা যায়, অংশগ্রহণকারীদের ৫৩ শতাংশ মানসিক চাপ এবং ৪০ শতাংশ ঘুমের সমস্যাকে তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতির প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এমনকি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ম্যানেজারদের অর্ধেকেরও বেশি ‘বার্নআউট’-এর মতো সমস্যায় ভুগছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে নিয়মিত ছুটি নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


মস্তিষ্কেরও প্রয়োজন বিশ্রাম


মানুষের মস্তিষ্ক সারাক্ষণ একই গতিতে কাজ করার জন্য তৈরি হয়নি। দিনের পর দিন একই রুটিনে কাজ করতে থাকলে মানসিক ক্লান্তি জমতে থাকে। শুরুতে বিষয়টি বোঝা না গেলেও ধীরে ধীরে মনোযোগ কমে, ছোট ছোট ভুল বাড়ে এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাও দুর্বল হয়ে পড়ে।


বার্নআউটের ঝুঁকি কমে


অতিরিক্ত কাজের চাপ, বিশ্রামের অভাব এবং দীর্ঘস্থায়ী মানসিক ক্লান্তি মিলেই তৈরি হয় বার্নআউট। এই অবস্থায় কর্মদক্ষতা কমে যাওয়ার পাশাপাশি উদ্বেগ, হতাশা, অনিদ্রা এমনকি শারীরিক অসুস্থতাও দেখা দিতে পারে। নিয়মিত ছুটি এই ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে সাহায্য করে। কারণ বিশ্রাম শরীর ও মন-দুটোকেই পুনরায় শক্তি সঞ্চয়ের সুযোগ দেয়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও