You have reached your daily news limit

Please log in to continue


এইচএসসি পরীক্ষা বর্ষাকালে কেন, সৃষ্ট সংকটের দায় কার?

দেশজুড়ে টানা ভারী বৃষ্টির পানিতে থইথই চারদিক। গ্রাম থেকে শহর- সবখানে জলাবদ্ধতা। কোথাও কোথাও বন্যা। এমন দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যেই নেওয়া হচ্ছে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা।

গত কয়েক দিন বাধ্য হয়ে কোনো কোনো পরীক্ষার্থী নৌকায় চড়ে কেন্দ্রে যেতে বাধ্য হয়েছেন। পরীক্ষা দিতে কেউ পেরিয়েছেন হাঁটুপানি, কেউ কোমরপানি। অনেকে রাস্তার খানাখন্দে পড়ে হাবুডুবু খেয়েছেন, কেউ কেউ সাঁতরে পরীক্ষাকেন্দ্রের বারান্দা ছুঁয়েছেন।

শিক্ষার্থীদের এমন ভোগান্তি ও করুণচিত্র ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমেও প্রকাশ হয়েছে কেন্দ্রে পৌঁছাতে পরীক্ষার্থীদের এ ‘যুদ্ধের’ ছবি-ভিডিও। এসব দেখে ক্ষুব্ধ দেশবাসী। বিভিন্নভাবে জলাবদ্ধ জায়গায় পরীক্ষা স্থগিতের দাবি ওঠে। তবে নির্বিকার ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। মন্ত্রীর পদত্যাগ চেয়ে অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্টও দিয়েছেন।

বৈরী আবহাওয়ার কারণে ১২ লাখেরও বেশি এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার্থীর এবার এমন ভোগান্তি। প্রশ্ন উঠেছে- কেন ভরা বর্ষা মৌসুমে নেওয়া হচ্ছে পাবলিক পরীক্ষা?

শিক্ষাবিদরা বলছেন, সারাদেশের এত সংখ্যক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে যে পরীক্ষা হচ্ছে, তা আয়োজনে সময় ও আবহাওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া উচিত ছিল।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বোর্ডগুলো অবশ্য দায় নিচ্ছে না। তাদের অভিযোগ- শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই এবার এইচএসসি পরীক্ষা এক মাসেরও বেশি সময় পেছানো হয়েছে।

পাশাপাশি করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে দেশের শিক্ষা ক্যালেন্ডার এলোমেলো হওয়ার রেশ এখনো কাটিয়ে ওঠা যায়নি। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের ধাক্কাও রয়েছে শিক্ষাপঞ্জিতে।

বৈরী আবহাওয়ায় ‌‘লন্ডভন্ড’ এইচএসসির সূচি
গত ২ জুলাই এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়। এবার ১১টি বোর্ডে পরীক্ষা দিতে ফরম পূরণ করেন ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী। বাংলা প্রথমপত্র, বাংলা দ্বিতীয়পত্র ও ইংরেজি প্রথমপত্র পরীক্ষা কিছুটা স্বাভাবিক আবহাওয়ায় অনুষ্ঠিত হয়।

বিপত্তি শুরু হয় ৮ জুলাই থেকে। বিপাকে পড়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বোর্ড। ওইদিন বন্যা পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রাম বোর্ডের পাঁচ জেলায় পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় চট্টগ্রামের পাঁচ জেলায় আগামী ১৬ জুলাই পর্যন্ত মোট পাঁচদিনের সব পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানে ঠিক কবে নাগাদ পরীক্ষা শুরু করা যাবে, তা নিয়ে রয়েছে অনিশ্চয়তা।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন