You have reached your daily news limit

Please log in to continue


পানির নিচে ৪ কিলোমিটার মহাসড়ক, অবরুদ্ধ ২০ লাখ মানুষ

চট্টগ্রাম-হাটহাজারী মহাসড়ক; এটি উত্তর চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের কাছে শুধু একটি সড়ক নয়, বরং জীবন ও জীবিকার প্রধান সংযোগপথ। প্রতিদিন এই সড়ক দিয়েই হাটহাজারী, রাউজান, রাঙ্গুনিয়া, ফটিকছড়ি, ভূজপুর, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ির লাখো মানুষ চট্টগ্রাম নগরে আসা-যাওয়া করেন। ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষিপণ্য পরিবহন, শিল্পকারখানার কাঁচামাল সরবরাহ সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দু এই মহাসড়ক।

কিন্তু বর্ষা এলেই দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়কের প্রায় তিন থেকে চার কিলোমিটার অংশ কার্যত অচল হয়ে পড়ে। অক্সিজেন মোড় থেকে বড়দিঘির পাড় হয়ে চৌধুরীহাট পর্যন্ত অংশ চার থেকে পাঁচ ফুট পানির নিচে তলিয়ে যায়। স্বাভাবিক সময়ে যেখানে ১৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে সময় লাগে ২৫ থেকে ৩০ মিনিট, সেখানে বর্ষার দিনে একই পথ অতিক্রম করতে সময় লাগে পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টা। অনেক সময় যানবাহন সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায় এবং মানুষকে কোমরসমান পানি মাড়িয়ে গন্তব্যে যেতে হয়।

প্রায় এক দশক আগে চার লেনে উন্নীত করা এই মহাসড়কে কেন এখনো প্রতি বর্ষায় একই দুর্ভোগের পুনরাবৃত্তি হচ্ছে, সেই প্রশ্ন স্থানীয়দের।

চার লেন হয়েছে, কিন্তু ড্রেনেজ ব্যবস্থা হয়নি

২০১৫ সালে কয়েকশ কোটি টাকা ব্যয়ে চট্টগ্রাম-হাটহাজারী মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করা হয়। প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় মূল গুরুত্ব দেওয়া হয় যানবাহনের ধারণক্ষমতা বাড়ানোর ওপর। কিন্তু স্থানীয়দের অভিযোগ, পানি নিষ্কাশনের বিষয়টি প্রয়োজনীয় গুরুত্ব পায়নি। ফলে সড়ক প্রশস্ত হলেও বর্ষায় পানি দ্রুত সরানোর মতো কার্যকর অবকাঠামো তৈরি হয়নি।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন